পশ্চিম তীরের বেথলেহেম শহরে দুই বছর পর আবার বড়দিনের আলো জ্বলছে। গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের ছায়ায় দুই বছর ধরে এই শহরে বড়দিন উদযাপন স্থগিত ছিল।
এবারের বড়দিন উদযাপনে বেথলেহেমের ম্যানজার স্কয়ারে হাজারো মানুষ জড়ো হয়েছে। স্কয়ারে স্তবগান গেয়েছেন এবং কোরাস সংগীত শুনেছেন ফিলিস্তিনিরা। এই উদযাপনের মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনিরা স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার বার্তা দিচ্ছে।
বেথলেহেমের মেয়র মাহের এন কানাওয়াতি বলেছেন, দীর্ঘ অন্ধকার আর নীরবতার পর পৌরসভা এই শহরে বড়দিনের আলো ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। এই উদযাপনের মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনিরা তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করছে।
বেথলেহেম শহরটি ইসরায়েল-অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবস্থিত। এই শহরটি খ্রিষ্টধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিস্টের জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত।
গাজায় ইসরায়েলের হামলার শিকার ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতে বেথলেহেমের স্থানীয় নেতারা আগে বড়দিন উদযাপন বাতিল করেছিলেন। কিন্তু এবারের উদযাপন আগের যে কোনও সময়ের থেকে আলাদা।
ইভানজেলিক্যাল লুথেরান ক্রিসমাস চার্চের যাজক রেভারেন্ড মুনথের আইজ্যাক বলেছেন, শহর সুন্দর করে সাজানো, গাছ আলোয় ভরা, কিন্তু প্রতিটি ফিলিস্তিনির মনে গভীর শোক।
বেথলেহেমে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় বড়দিন পালনের ঐতিহ্য থাকলেও গত দু’বছরে এই উৎসব ছিল নিরানন্দ। বেথলেহেম থেকে গাজার দূরত্ব ৬০ কিলোমিটার।
তারপরও সেখানে যুদ্ধ পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের ব্যাথিত করেছে। কারণ, গাজায় এই ফিলিস্তিনিদের অনেকেরই পরিবার এবং বন্ধুবান্ধব আছে।
বেথলেহেমের স্থানীয় নেতারা বলছেন, এই উদযাপনের মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনিরা তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করছে। তারা বলছেন, ফিলিস্তিনিরা জীবনকে ভালবাসে এবং তারা এখনও এখানে আছে, বেঁচে থাকতে তারা সংকল্পবদ্ধ।
বেথলেহেমে বড়দিন উদযাপন শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানেই সীমিত থাকছে। ম্যানজার স্কয়ারে ধর্মীয় নেতারা ও স্থানীয় কর্মকর্তারা মঞ্চে দাঁড়িয়ে সাধারণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে গাছ আলোকিত করেছেন।
এই উদযাপনের মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনিরা তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করছে। তারা বলছেন, ফিলিস্তিনিরা জীবনকে ভালবাসে এবং তারা এখনও এখানে আছে, বেঁচে থাকতে তারা সংকল্পবদ্ধ।
বেথলেহেমে বড়দিন উদযাপন শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানেই সীমিত থাকছে। ম্যানজার স্কয়ারে ধর্মীয় নেতারা ও স্থানীয় কর্মকর্তারা মঞ্চে দাঁড়িয়ে সাধারণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে গাছ আলোকিত করেছেন।
এই উদযাপনের মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনিরা তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করছে। তারা বলছেন, ফিলিস্তিনিরা জীবনকে ভালবাসে এবং তারা এখনও এখানে আছে, বেঁচে থাকতে তারা সংকল্পবদ্ধ।



