সাকিব আল হাসান তার দীর্ঘ ক্রিকেট জীবনে অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তবে, সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএল টি-টোয়েন্টিতে তিনি প্রথমবারের মতো ‘রিটায়ার্ড আউট’ হয়েছেন। এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা তার জন্য।
সাকিব আল হাসান এমআই এমিরেটসের হয়ে ১২ বলে ১৬ রান করার পর তুলে নেওয়া হয়েছিল। এটি একটি ট্যাকটিক্যাল সিদ্ধান্ত ছিল, কারণ শেষ ওভারগুলিতে দলকে আরও রান দরকার ছিল। সাকিব আল হাসান ক্রিজে যাওয়ার আগে, দলের স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ১২৯ রান।
সাকিব আল হাসান ক্রিজে যাওয়ার পর, তিনি সিকান্দার রাজা ও আদিল রাশিদকে দুটি বাউন্ডারিও মারেন। তবে, দলের প্রয়োজন ছিল আরও আগ্রাসী ব্যাটিং। এই কারণে, কাইরন পোলার্ডকে নামানো হয়। পোলার্ড প্রথম বলে বাউন্ডারি মারলেও পরের বলে আউট হয়ে যান।
পরে, রোমারিও শেফার্ড চার ছক্কায় ১০ বলে ৩১ রান করেন, তাজিন্দার সিং ৮ বলে ১৭ রান করেন। শেষ চার ওভারে এমআই এমিরেটস ৫৬ রান করে। এটি একটি ভালো প্রচেষ্টা ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা জিততে পারেনি।
‘রিটায়ার্ড আউট’ এখন ক্রিকেটে একটি সাধারণ বিষয় হয়ে উঠেছে। গত কয়েক বছরে, এটি নিয়মিত ঘটছে। সাকিব আল হাসানকে দিয়ে ‘রিটায়ার্ড আউট’ এর নজির হলো ৬১টি। ২০২২ সালের আগে পর্যন্ত এটি ছিল মাত্র ৩টি। এখন এটি হরহামেশাই হচ্ছে। এ বছর এটি হয়েছে ২৬টি।
বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে এই অভিজ্ঞতা হয়েছিল কেবল সানজামুল ইসলামের। সেটিও ছিল একটি বিচিত্র ঘটনা। সানজামুল আসলে কোনো বলই খেলেননি!
সাকিব আল হাসান ব্যাটিংয়ের পর বল হাতে ২ ওভারে ২৭ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন। এটি একটি ভালো প্রচেষ্টা ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা জিততে পারেনি।
পরবর্তী ম্যাচে সাকিব আল হাসান ও তার দলের পারফরম্যান্স কেমন হবে তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তারা কি জিততে পারবে? এটি একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ হবে বলে আশা করা যায়।



