পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, পেঁয়াজের দাম হঠাৎ করে বেড়ে গিয়েছিল কেজিপ্রতি প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ টাকার মতো। গতকাল আমদানির অনুমতি দেওয়ার খবরে আজকে আবার একটু দাম কমেছে।
কৃষি উপদেষ্টা বলেছেন, পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে প্রতি আমদানিকারক একবার আইপি (আমদানি অনুমতি) পাবেন, সর্বোচ্চ ৩০ মেট্রিক টন করে। দৈনিক ৫০টি করে আইপি দেওয়া হবে। বাজার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
বর্তমান সরকার কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের স্বার্থ সংরক্ষণের চেষ্টা করছে। কৃষি উপদেষ্টা বলেছেন, আমরা চাই-কৃষক ও ভোক্তা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হোক, উভয়ের স্বার্থ সংরক্ষণ হোক।
কৃষি উপদেষ্টা বলেছেন, আজকে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ সংক্রান্ত একটি সভায় অংশগ্রহণ করেছি। আমাদের খাদ্যে নানা ধরনের ভেজালের কারণে আমরা বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছি। তার মধ্যে কৃষি খাত ছাড়াও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে কীটনাশক, রাসায়নিক সার ও অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহারের অন্যতম কারণ।
কৃষি উপদেষ্টা বলেছেন, কীটনাশক ব্যবহার করে সাথে সাথে ফসল বাজারজাত না করে ৪-৫ দিন পর বাজারজাত করলে ভোক্তা পর্যায়ে এর ক্ষতিকর দিক কমিয়ে আনা সম্ভব। সেজন্য কৃষককেও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে।
এ বছর আমন ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে কৃষি উপদেষ্টা বলেছেন, বাজারে সবজির দাম তেমন বেশি না, মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে ও জনগণের নাগালের মাধ্যেই রয়েছে। সামনের দিনগুলোতে সবজির দাম আরও কমবে। কৃষকরা যাতে এ ক্ষেত্রে লোকসানে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
কৃষি উপদেষ্টা বলেছেন, আমরা ইতোমধ্যে ১০০টি মিনি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করে দিয়েছি, যাতে সবজির ক্ষতি না হয়, সংরক্ষণ করা যায়। আমরা দ্রুত আরও ১০০টি মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের পদক্ষেপ নিয়েছি।
কৃষি উপদেষ্টা বলেছেন, আমরা চাই কৃষক ও ভোক্তা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হোক, উভয়ের স্বার্থ সংরক্ষণ হোক। আমরা সে চেষ্টা করে যাচ্ছি।
কৃষি উপদেষ্টা বলেছেন, আমরা কৃষক ও ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য কাজ করছি। আমরা চাই কৃষক ও ভোক্তা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হোক।



