ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় ১৪ বছর বয়সী অটোরিক্সা চালক হাসিবুল ইসলামের হত্যার ৭ বছর পর পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রধান সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে।
পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুপারিনটেনডেন্ট সচিন চাকমা জানিয়েছেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল। দীর্ঘ তদন্তের পর প্রধান সন্দেহভাজন গ্রেফতার করা হয়েছে।
প্রধান সন্দেহভাজন মোঃ হৃদয়, ২৮, কাসবা উপজেলার নিমবাড়ী গ্রামের মুজিবুর মিয়ার ছেলে, শনিবার চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামি এলাকার বর্মা কলোনিতে গ্রেফতার হন। গ্রেফতারের সময় তিনি পুলিশ অফিসারদের উপর আক্রমণ চালান, যার ফলে দুজন পুলিশ অফিসার আহত হন।
হাসিবুল ইসলাম ২০১৮ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি তার বাবার অটোরিক্সা নিয়ে বের হয়েছিলেন এবং আর ফেরেননি। পরের দিন তার বাবা একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পাঁচ দিন পর পুলিশ আখাউড়ার ধরখার ইউনিয়নের নোয়াপাড়া বিলে একটি অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হয় যে লাশটি হাসিবুলের।
মামলাটি প্রথমে স্থানীয় পুলিশ তদন্ত করেছিল, কিন্তু পরে এটি পিবিআইকে হস্তান্তর করা হয়। পিবিআই তদন্ত করে জানতে পারে যে হৃদয় এবং তার সহযোগীরা অটোরিক্সা চুরির উদ্দেশ্যে হাসিবুলের অটোরিক্সা ভাড়া নিয়েছিল। কয়েক ঘণ্টা ঘুরার পর তারা হাসিবুলকে একটি পাড়ার মাঝে নিয়ে গিয়ে তার হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
পরে তারা লাশটি ফেলে দিয়ে অটোরিক্সা নিয়ে পালিয়ে যায়।
এই মামলায় প্রধান সন্দেহভাজন মোঃ হৃদয়কে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আদালতে হাজির করা হয়েছে। সেখানে তিনি একটি স্বীকারোক্তি বিবৃতি দেন।
এই মামলার পরবর্তী আদালত পর্যায় কী হবে তা এখনও জানা যায়নি।
তবে এই গ্রেফতারের মাধ্যমে হাসিবুল ইসলামের পরিবার এবং তার আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে একটি নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
তারা আশা করছেন যে এই মামলার বিচার দ্রুত শেষ হবে এবং দোষীরা শাস্তি পাবে।
এই মামলায় পিবিআই এবং স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
তাদের সহযোগিতা এবং সহায়তার মাধ্যমেই এই মামলার সমাধান সম্ভব হয়েছে।
এই মামলায় প্রধান সন্দেহভাজনের গ্রেফতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
এই গ্রেফতারের মাধ্যমে হাসিবুল ইসলামের পরিবার এবং তার আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে একটি নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
তারা আশা করছেন যে এই মামলার বিচার দ্রুত শেষ হবে এবং দোষীরা শাস্তি পাবে।
এই মামলায় পিবিআই এবং স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
তাদের সহযোগিতা এবং সহায়তার মাধ্যমেই এই মামলার সমাধান সম্ভব হয়েছে।



