নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, বাংলাদেশে ভোটের কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের ইচ্ছা প্রকাশ করবে।
কুড়িগ্রামে নাগরিক ঐক্যের জেলা কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাহমুদুর রহমান মান্না এই কথা বলেন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন প্রথমে বলেছিল চলতি মাসের ৭-৮ তারিখের দিকে তফসিল ঘোষণা হবে। পরে শোনা গেল ১১ তারিখ তফসিল হবে। এখন নির্বাচন কমিশন বলছে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে তারা কোনো মন্তব্য করবে না।
মাহমুদুর রহমান মান্না আরও বলেন, এই দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বেগম জিয়ার অসাধারণ অবদান ছিল। তিনি বহু কষ্ট সহ্য করেছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন। আমরা চাই তিনিও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় থাকুন।
নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহিদুর্লা কায়সার, সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, জেলা কমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত মেজর আব্দুস সালাম, জেলা কমিটির সদস্য সচিব জোহবাদুল ইসলাম বাবলু ও অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ১৫ বছরের লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গে বিএনপিসহ অন্যান্য দল ছিল। তাদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আছে। আলাপ আলোচনা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কারও সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা হয়নি। আমরা এককভাবে কিছু করতে চাই না।
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবে এমন আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও গতিশীল করবে।
নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর দেশের সকল রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবে। এই নির্বাচনে জনগণ তাদের ইচ্ছা প্রকাশ করবে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও সুসংহত করবে। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের নেতাদের বেছে নেবে।
নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর দেশের সকল রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবে। এই নির্বাচনে জনগণ তাদের ইচ্ছা প্রকাশ করবে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও সুসংহত করবে। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের নেতাদের বেছে নেবে।
নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর দেশের সকল রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবে। এই নির্বাচনে জনগণ তাদের ইচ্ছা প্রকাশ করবে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও সুসংহত করবে। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের নেতাদের বেছে নেবে।
নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর দেশের সকল রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবে। এই নির্বাচনে জনগণ তাদের ইচ্ছা প্রকাশ করবে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও সুসংহত করবে। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের নেতাদের বেছে নেবে।
নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর দেশের সকল রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবে। এই নির্বাচনে জনগণ তাদের ইচ্ছা প্রকাশ করবে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও সুসংহত করবে। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের নেতাদের বেছে নেবে।
নির্ব



