নোমান গ্রুপের কোম্পানি ‘নাইস স্পান’ এর দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিং বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দেওয়া একটি আবেদন নিষ্পত্তির আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। রোববার এ বিষয়ে একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি জেবিএম হাসান এবং বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেয়।
নোমান গ্রুপের প্রতিষ্ঠান নাইস স্পান গাজীপুরে মাওনা মৌজায় প্রায় ৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি বন্ধক রেখে ১০৭৫ কোটি টাকা ঋণ নেয়। এ বিষয়ে এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে ২০২৪ সালে দুদকে একটি আবেদন দাখিল করেন লোহাগড়ার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় তিনি এই রিট দায়ের করেন।
রিট আবেদনে দুদকের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরসহ সাতজনকে বিবাদী করা হয়েছে। আদালত রুল জারি করে আবেদনকারীর দরখাস্ত ৯০ দিনের মধ্যে দুদক ও বাংলাদেশ ব্যাংককে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে দুর্নীতি ও মাটিলন্ডারিংয়ের বিষয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
নোমান গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশিত হলেও কোনো অজানা কারণে তা তদন্ত করা হয় না। এই ঘটনায় দুদকের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা রুলে জানতে চেয়েছে আদালত।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের দুর্নীতি বিরোধী পরিবেশ আরও জোরদার হবে বলে মনে করা হচ্ছে। দুদককে এই বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। এটি দেশের অর্থনৈতিক পরিবেশের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর থেকে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য খাতে একটি নতুন ধারা শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে। দুর্নীতি বিরোধী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে। এই সিদ্ধান্ত দেশের জনগণের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত বহন করছে।



