নভেম্বর মাসে দেশের মূল্যস্ফীতির হার ৮.২৯ শতাংশে পৌঁছেছে। এই হার অক্টোবর মাসের তুলনায় সামান্য বেড়েছে। খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি ৭.৩৬ শতাংশ এবং খাদ্য বহির্ভূত খাতে ৯.০৮ শতাংশ হয়েছে।
গ্রামীণ এলাকায় নভেম্বর মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ৮.২৬ শতাংশ হয়েছে, যা অক্টোবর মাসে ৮.১৬ শতাংশ ছিল। গ্রামীণ এলাকায় খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি ৭.২৭ শতাংশ এবং খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে ৯.২৪ শতাংশ হয়েছে।
শহর এলাকায় নভেম্বর মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ৮.৩৯ শতাংশ হয়েছে, যা অক্টোবর মাসে ৮.৩৩ শতাংশ ছিল। শহর এলাকায় খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি ৭.৬১ শতাংশ এবং খাদ্য বহির্ভূত খাতে ৮.৯১ শতাংশ হয়েছে।
গত এক বছরে মুভিং অ্যাভারেজ মূল্যস্ফীতি ৮.৯৬ শতাংশ হয়েছে। এর আগের একই সময়ে এই হার ছিল ১০.২২ শতাংশ। নভেম্বর ২০২৫ মাসে দেশের জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ মজুরি বৃদ্ধির হার ৮.০৪ শতাংশ হয়েছে।
খাতভিত্তিক হিসাবে কৃষি খাতে মজুরি বৃদ্ধি ৮.১৪ শতাংশ, শিল্প খাতে ৭.৮৬ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৮.২২ শতাংশ হয়েছে। অক্টোবর মাসে এই তিন খাতে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ৮.১৭, ৭.৭৭ ও ৮.১৯ শতাংশ।
নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতির এই হার অর্থনীতির জন্য কী বোঝায় তা বিশ্লেষণ করা গুরুত্বপূর্ণ। মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধি বা হ্রাস অর্থনীতির বিভিন্ন খাতের উপর প্রভাব ফেলে। এই হার বৃদ্ধির ফলে খাদ্য ও অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়তে পারে, যা জনগণের জীবনযাত্রার মান কমিয়ে দিতে পারে।
অন্যদিকে, মূল্যস্ফীতির হার হ্রাস অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হতে পারে। এই হার হ্রাসের ফলে খাদ্য ও অন্যান্য পণ্যের দাম কমতে পারে, যা জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে পারে। তাই, মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণ করা অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সরকার ও অর্থনীতিবিদদের উচিত মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এই ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির সংস্কার, উৎপাদন বৃদ্ধি, বাণিজ্য বৃদ্ধি ইত্যাদি। এই ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করে মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
উপসংহারে, নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতির হার ৮.২৯ শতাংশে পৌঁছেছে। এই হার অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সরকার ও অর্থনীতিবিদদের উচিত মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।



