সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করেছে। রাষ্ট্রের ২৪ কোটি টাকা ক্ষতিসাধন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এই তদন্ত শুরু হয়েছে। নিকুঞ্জ-১ এলাকায় সাজসজ্জা ও সৌন্দর্যবর্ধনের নামে এই অভিযোগ উঠেছে।
দুদক মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, কমিশন কখনও ব্যক্তির পরিচয় দেখে তদন্ত করে না। মূল বিষয় হলো অভিযোগের বস্তুনিষ্ঠতা। রাজধানীর অভিজাত নিকুঞ্জ এলাকার লেকড্রাইভ রোডের ৬ নম্বর প্লটে ৩ তলা বিশিষ্ট ডুপ্লেক্স বাড়ি রয়েছে হামিদের। রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব শেষে তিনি ২০২৩ সালের এপ্রিলে সপরিবারে ওই বাড়িতে ওঠেন।
অভিযোগ উঠেছে, বাড়ির দুপাশের রাস্তায় হাঁটার জন্য বাঁধা, নান্দনিক ডেক ও ঝুলন্ত ব্রিজ, খালসংলগ্ন অত্যাধুনিক ল্যাম্পপোস্ট নির্মাণের মাধ্যমে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক তদন্ত শুরু করেছে। এই তদন্তের ফলাফল কী হবে তা এখনও অজানা।
দুদকের এই তদন্ত শুরু হওয়ার পর রাজনৈতিক বৃত্তে আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ এই তদন্তকে স্বাগত জানিয়েছেন, অন্যদিকে কেউ কেউ এই তদন্তকে রাজনৈতিক প্রেরণা দ্বারা অনুপ্রাণিত বলে মন্তব্য করেছেন। এই তদন্তের ফলাফল কী হবে তা এখনও অজানা, তবে এটা নিশ্চিত যে এই তদন্ত দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এই তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ভবিষ্যত কী হবে তা এখনও অজানা। তবে এটা নিশ্চিত যে এই তদন্ত তার রাজনৈতিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। এই তদন্তের ফলাফল কী হবে তা এখনও অজানা, তবে এটা নিশ্চিত যে এই তদন্ত দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এই তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের রাজনৈতিক বৃত্তে আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ এই তদন্তকে স্বাগত জানিয়েছেন, অন্যদিকে কেউ কেউ এই তদন্তকে রাজনৈতিক প্রেরণা দ্বারা অনুপ্রাণিত বলে মন্তব্য করেছেন। এই তদন্তের ফলাফল কী হবে তা এখনও অজানা, তবে এটা নিশ্চিত যে এই তদন্ত দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



