নভেম্বর মাসে মুদ্রাস্ফীতির হার ৮.২৯ শতাংশে উঠেছে। খাদ্যদ্রব্যের দাম বৃদ্ধির কারণে এই মুদ্রাস্ফীতির হার বেড়েছে। এটি জনগণের জন্য, বিশেষ করে কম আয়ের লোকদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।
গত মাসের তুলনায় নভেম্বর মাসের মুদ্রাস্ফীতির হার ১২ বেসিস পয়েন্ট বেশি। গত বছরের নভেম্বর মাসের তুলনায় এই মাসের মুদ্রাস্ফীতির হার কম। নভেম্বর মাসে গ্রামীণ ও শহুরে এলাকায় খাদ্যদ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতির সমস্যা প্রায় চার বছর ধরে চলছে। মে ২০২৫ পর্যন্ত মুদ্রাস্ফীতির হার ৯ শতাংশের উপরে ছিল। এরপর থেকে মুদ্রাস্ফীতির হার ৮ শতাংশের উপরে রয়েছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রায় তিন বছর ধরে অস্থিতিশীলতার মধ্যে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আবাসন খাতও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মাঝারি আকারের ফ্লাট বিক্রি করে আবাসন ব্যবসায়ীরা সংকট মোকাবিলা করছে।
মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধির কারণে জনগণের জীবনযাত্রার মান কমছে। খাদ্যদ্রব্যের দাম বৃদ্ধির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
মুদ্রাস্ফীতির হার কমাতে সরকারকে মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। খাদ্যদ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করে মুদ্রাস্ফীতির হার কমানো সম্ভব। এছাড়াও সরকারকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
মুদ্রাস্ফীতির হার কমাতে সরকার, ব্যবসায়ী ও জনগণকে একসাথে কাজ করতে হবে। মুদ্রাস্ফীতির হার কমানোর জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য।
বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য মুদ্রাস্ফীতির হার কমানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুদ্রাস্ফীতির হার কমানোর জন্য সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। মুদ্রাস্ফীতির হার কমানোর জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য।
বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য মুদ্রাস্ফীতির হার কমানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুদ্রাস্ফীতির হার কমানোর জন্য সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। মুদ্রাস্ফীতির হার কমানোর জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য।



