ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অংশীদারিত্বের বিষয়ে এক নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই বিতর্কের মধ্যে ইইউ-এর নীতিগুলোকে অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যানডাউ সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে ইইউ-এর ১৪ কোটি ডলার জরিমানা করার সমালোচনা করেছেন। এই জরিমানা ইইউ-এর ডিজিটাল সার্ভিসেস আইনের অধীনে প্রথম উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপের ঘটনা।
ইউরোপীয় কমিশন বলেছে, এক্স প্ল্যাটফর্মে কোনো ব্যবহারকারী চাইলে অর্থের বিনিময়ে তাদের প্রোফাইলে ব্লু টিক চিহ্ন বা ব্যাজ পেতে পারেন। যার ফলে ওই ব্লু টিকধারী অ্যাকাউন্ট নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে ‘ভ্রান্ত ধারণা’ তৈরি হয়। কারণ প্ল্যাটফর্মটি আসলে ‘ঠিকভাবে যাচাই’ করছে না, ওই অ্যাকাউন্টের পেছনে কে বা কারা আছেন।
ল্যানডাউ তার পোস্টে বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে ইইউ-এর পার্থক্যগুলো তুলে ধরেছেন যেগুলো নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (নেটো) সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মহাদেশটির অংশীদারিত্বের ধারণাকে ‘অবমূল্যায়ন’ করছে।
ল্যানডাউ লিখেছেন, ইইউ-এর নিয়ন্ত্রক অবস্থান পশ্চিমা নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব ও মূল্যবোধের ক্ষতি করতে পারে। “এই দেশগুলো যখন তাদের নেটো টুপি পরে, তারা জোর দিয়ে বলতে থাকে যে ট্রান্সআটলান্টিক সহযোগিতা আমাদের পারস্পরিক নিরাপত্তার মূল ভিত্তি। কিন্তু এই দেশগুলোই যখন তাদের ইইউ টুপি পরে, তারা বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচী অনুসরণ করতে থাকে যা প্রায়ই মার্কিন স্বার্থ ও নিরাপত্তার একদম প্রতিকূল, এই অসঙ্গতি চলতে পারে না।”
এই বিতর্ক ইউরোপ-আমেরিকার অংশীদারিত্বের উপর কী প্রভাব ফেলবে তা এখনও অস্পষ্ট। তবে এটা নিশ্চিত যে এই বিতর্ক দুই মহাদেশের মধ্যে সম্পর্কের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।



