বরগুনার একমাত্র মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের হামলা-ভাঙচুরের পর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এই জাদুঘরটি ২০১৯ সালের ৩০ নভেম্বর বরগুনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে উদ্বোধন করা হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। জাদুঘরে মুক্তিযুদ্ধ এবং ইতিহাসভিত্তিক ৩ শতাধিক আলোকচিত্র, মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ও স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত বই ও স্মরণিকা, মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত কাঠের বন্দুক, পোশাক, রান্নার পাতিল, রামদা, ভোজালি সহ নানা তৈজসপত্র সংরক্ষিত ছিল।
জাদুঘরটির অন্যতম উদ্যোক্তা চিত্তরঞ্জন শীল বলেন, মূলত কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে জাদুঘরটি নির্মাণ করা হয়নি। আমাদের লক্ষ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।
জেলা প্রশাসন এখনও জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণ করা হবে কিনা সে বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। জাদুঘরটি পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।
বরগুনার স্বাধীনতা জাদুঘরের অবস্থা নিয়ে স্থানীয় জনগণ উদ্বিগ্ন। তারা জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণ এবং সংরক্ষণের দাবি জানাচ্ছে।
জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণ না হলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাতে হবে।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে জাদুঘরটির গুরুত্ব অপরিসীম। এই জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণ করা এবং সংরক্ষণ করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণের জন্য সরকার ও স্থানীয় জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে। এই জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণ করা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বরগুনার স্বাধীনতা জাদুঘরের অবস্থা নিয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাতে হবে।
জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণ করা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সকলের দায়িত্ব হলো জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণ করা এবং সংরক্ষণ করা।
জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণের জন্য সরকার ও স্থানীয় জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে। এই জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণ করা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বরগুনার স্বাধীনতা জাদুঘরের অবস্থা নিয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাতে হবে।
জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণ করা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সকলের দায়িত্ব হলো জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণ করা এবং সংরক্ষণ করা।
জাদুঘরটি পুনঃনির্মাণের জন্য সরকার ও স্থানীয় জনগণকে একযোগ



