বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের মধ্যে গভীর বিভাজন সৃষ্টি করার জন্য একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ধর্মের নামে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ ধর্মপরায়ণ হলেও তারা ধর্মের নামে দেশকে বিভক্ত করার পক্ষে নয়।
ঢাকার ফার্মগেটে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। ফখরুল বলেছেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল সকল ধর্মের মানুষ একসাথে বাস করবে। তিনি বলেছেন, দেশটি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে রয়েছে এবং ১৫ বছরের স্বৈরাচার শাসনের পর গণতন্ত্রে ফিরে যাওয়ার সুযোগ এসেছে।
বিএনপি নেতা ফখরুল বলেছেন, অনেক বাধা এসেছে এবং এখনও আসছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাদেরকে অনলাইনে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যদি আমরা সাইবার জগতে লড়াই করতে না পারি, তাহলে আমরা হারব। ছাত্রদলকে একটি বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে যাতে বিএনপি একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে পারে।
ফখরুল বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, দলটি একটি কঠিন সময় পার করছে। তার চিকিত্সার জন্য সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারিক রহমান ব্যক্তিগতভাবে এ বিষয়টি তদারক করছেন এবং দেশী-বিদেশী বিশেষজ্ঞরা তার চিকিত্সায় নিয়োজিত।
বিএনপি নেতা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিএনপি এখন দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং দলটির কর্মকাণ্ড দেশের রাজনৈতিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলবে।
বিএনপি নেতা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মোড় নির্দেশ করছে। বিএনপি এখন দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং দলটির কর্মকাণ্ড দেশের রাজনৈতিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলবে।



