চীন ও রাশিয়া সম্প্রতি তাদের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা মহড়ার তৃতীয় দফা সম্পন্ন করেছে। এই মহড়া রাশিয়ার ভূখণ্ডে অনুষ্ঠিত হয়। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এই মহড়াগুলো কোনও তৃতীয় পক্ষকে টার্গেট করে বা বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়া হিসেবে করা হয়নি। গত মাসে, রুশ-চীন সামরিক কর্মকর্তারা ‘ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত স্থিতিশীলতা’ নিয়ে বৈঠক করেন।
আগস্টে, দেশ দুটি জাপান সাগরে আর্টিলারি ও সাবমেরিন-বিরোধী যৌথ মহড়া করে। ২০২২ সালে, রাশিয়া পূর্ণমাত্রায় ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু করার আগে চীনের সঙ্গে একটি ‘নো-লিমিটস’ কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করে।
এই চুক্তির অধীনে নিয়মিত যৌথ সামরিক মহড়ার অঙ্গীকার রয়েছে। উভয় দেশই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘গোল্ডেন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ৩০ বছরেরও বেশি সময় বিরতির পর পুনরায় মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্রের পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
এই যৌথ মহড়া দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেও উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করবে।
ভবিষ্যতে, চীন ও রাশিয়ার সামরিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সহযোগিতা দুই দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই যৌথ মহড়ার মাধ্যমে চীন ও রাশিয়া তাদের সামরিক ক্ষমতা ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ক্ষমতার একটি শক্তিশালী বার্তা প্রদান করেছে। এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে বিবেচিত হবে।
চীন ও রাশিয়ার এই যৌথ মহড়া আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এটি দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এই যৌথ মহড়ার মাধ্যমে চীন ও রাশিয়া তাদের সামরিক ক্ষমতা ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ক্ষমতার একটি শক্তিশালী বার্তা প্রদান করেছে। এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে বিবেচিত হবে।
চীন ও রাশিয়ার এই যৌথ মহড়া আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এটি দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এই যৌথ মহড়ার মাধ্যমে চীন ও রাশিয়া তাদের সামরিক ক্ষমতা ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ক্ষমতার একটি শক্তিশালী বার্তা প্রদান করেছে। এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে বিবেচিত হবে।
চীন ও রাশিয়ার এই যৌথ মহড়া আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এটি দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এই যৌথ মহড়



