প্রযুক্তি জগতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। ইন্টেলের প্রাক্তন প্রধান নির্বাহী প্যাট গেলসিংগার এখন একটি ভেনচার ফার্মের সাথে কাজ করছেন। তিনি বর্তমানে প্লেগ্রাউন্ড গ্লোবাল নামক ভেনচার ফার্মের একজন সাধারণ অংশীদার। তিনি ১০টি স্টার্টআপে কাজ করছেন, কিন্তু একটি স্টার্টআপ তার বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। এই স্টার্টআপটির নাম এক্সলাইট। এটি একটি সেমিকন্ডাক্টর স্টার্টআপ, যা গত সপ্তাহে মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের সাথে একটি প্রাথমিক চুক্তি করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন সরকার এক্সলাইটের একটি উল্লেখযোগ্য শেয়ারহোল্ডার হবে।
এই চুক্তি প্যাট গেলসিংগারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তিনি ইন্টেলে ৩৫ বছর কাজ করেছেন, কিন্তু গত বছর তাকে ইন্টেলের প্রধান নির্বাহী পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এখন তিনি এক্সলাইটের নির্বাহী চেয়ারম্যান। তিনি বিশ্বাস করেন যে এক্সলাইট সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বৃহত্তম বাধাটি দূর করতে পারে। এই বাধাটি হল লিথোগ্রাফি, যা সিলিকন ওয়াফারে অতি সূক্ষ্ম নকশা তৈরি করার প্রক্রিয়া।
এক্সলাইট একটি নতুন প্রযুক্তি বিকাশ করছে, যা পারটিকেল অ্যাক্সিলারেটর দ্বারা চালিত বিশাল ফ্রি ইলেকট্রন লেজার ব্যবহার করে। এই প্রযুক্তি চিপ উত্পাদন প্রক্রিয়াকে বিপ্লবী করতে পারে। প্যাট গেলসিংগার বিশ্বাস করেন যে এই প্রযুক্তি মুরের আইনকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে। মুরের আইন হল একটি নীতি, যা বলে যে কম্পিউটিং পাওয়ার প্রতি দুই বছরে দ্বিগুণ হবে।
এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আমাদের জীবনকে বদলে দিতে পারে। এটি আমাদের কম্পিউটার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলিকে আরও দ্রুত এবং শক্তিশালী করতে পারে। এটি আমাদের জীবনকে আরও সহজ এবং সুবিধাজনক করতে পারে। তাই, এই প্রযুক্তি বিকাশের জন্য প্যাট গেলসিংগারের প্রচেষ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এই প্রযুক্তি বিকাশের জন্য প্যাট গেলসিংগারের প্রচেষ্টা শুধুমাত্র তার নিজের জন্য নয়, বরং সমগ্র সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য। এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ, কিন্তু প্যাট গেলসিংগার বিশ্বাস করেন যে এটি সম্ভব। তিনি বিশ্বাস করেন যে এক্সলাইটের প্রযুক্তি সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের ভবিষ্যতকে পরিবর্তন করতে পারে।



