সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এক বছরে ৩৬৫ দিনের মধ্যে মাত্র ৯২ দিন ক্লাস পেয়েছে। ছুটি, পরীক্ষা, শিক্ষকদের ক্লাস বর্জন, কমপ্লিট শার্টডাউন, বিক্ষোভ-সমাবেশের কারণে ঠিকমতো ক্লাস হয়নি। পাঠ্যবই হাতে পেতেও দেরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা আজ রবিবার থেকে পরীক্ষায় বসছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা তাদের চলমান আন্দোলন পরীক্ষার আওতামুক্ত রেখে আজ থেকে পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ ও বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ এক যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেয়।
দেশে বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ কোটি ৯৭ লাখ ১৩ হাজার ৬৮৫। তাদের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ১ কোটি ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৮১৫ জন, যা মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ৫৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। এই শিক্ষার্থীরা আজ রবিবার থেকে পরীক্ষায় বসছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ব্যাপক বদলির পথে হাঁটে। গত বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এই বদলির ঘোষণা দেয়। এই বদলির পরিপ্রেক্ষিতে সহকারী শিক্ষকরা তাদের চলমান আন্দোলন পরীক্ষার আওতামুক্ত রেখে আজ থেকে পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা আজ রবিবার থেকে পরীক্ষায় বসছে। এই পরীক্ষা সম্পর্কে প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ ও বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে যে পরীক্ষা শর্তসাপেক্ষে পরিচালিত হবে। তবে দাবি আদায়ে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যত্ কর্মসূচি পরে ঘোষণা করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই পরীক্ষার মাধ্যমে তারা তাদের জ্ঞান ও দক্ষতা প্রদর্শন করতে পারে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত পরীক্ষা সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রদান করা এবং শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা।
পরীক্ষা সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে পাঠকরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। পাঠকরা আমাদের সাথেও যোগাযোগ করতে পারেন এবং তাদের প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন।



