জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে হত্যার মামলায় আসামি টেটসুয়া ইয়ামাগামি আদালতে ক্ষমা চাইলেন। তিনি বলেন, আবে পরিবারের প্রতি কষ্ট দেওয়ার কোনো অজুহাত নেই।
ইয়ামাগামি ২০২২ সালের জুলাই মাসে নারা শহরে নির্বাচনী প্রচারের সময় ঘরোয়া অস্ত্র দিয়ে গুলি করে আবেকে হত্যা করেন। এই হত্যাকাণ্ড জাপানজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি করে।
আসামি ইয়ামাগামি বলেন, তাঁর ব্যক্তিগতভাবে আবের প্রতি কোনো বিদ্বেষ ছিল না। তিনি ইউনিফিকেশন চার্চের প্রতি ক্ষোভ থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর দাবি, চার্চে তাঁর মা বিপুল অর্থ দান করায় পরিবার দেউলিয়া হয়ে পড়ে।
আগে থেকেই হত্যার দায় স্বীকার করা ইয়ামাগামি বলেন, আসলে যা করেছি, তা ঠিকই করেছি। কিন্তু আবে পরিবারের প্রতি কষ্ট দেওয়ার কোনো অজুহাত নেই।
শুনানির সময় তাঁর আইনজীবীরা বলেন, যে অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, তা স্থানীয় আইনে সংজ্ঞায়িত হ্যান্ডগানের পর্যায়ে পড়ে না, তাই তাঁর শাস্তি কিছুটা কমানো উচিত।
ইউনিফিকেশন চার্চকে ঘিরে জাপানে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
এর আগের দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন শিনজো আবের স্ত্রী আকিয়ে। তিনি দ্বিতীয় সারিতে বসে নীরবে সব কিছুই শুনেছিলেন, তবে ক্ষমা চাওয়ার দিন তিনি অনুপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তী আদালতের শুনানি অপেক্ষা করছে জাপানের মানুষ। এই মামলার বিচার কি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে তা নিয়ে সবাই অপেক্ষায় রয়েছে।
এই মামলায় আরও অনেক কিছু ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে। আসামির ক্ষমা চাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এখন দেখা যাক আদালত কি সিদ্ধান্ত নেয়।
জাপানের মানুষ এই মামলার বিচার নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। তারা চায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হোক।
এই মামলার বিচার জাপানের আইনব্যবস্থার একটি বড় পরীক্ষা। দেখা যাক আদালত কি সিদ্ধান্ত নেয়।
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের হত্যাকাণ্ড একটি বড় ঘটনা। এই মামলার বিচার নিয়ে সবাই অপেক্ষা করছে।
এই মামলায় আরও অনেক কিছু ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে। আসামির ক্ষমা চাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।



