বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মোড় ঘটেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে একটি মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করতেন না।
সালাহউদ্দিন আহমেদ কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ইসলামনগর এলাকায় এক মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা পার্শ্ববর্তী একটি দেশের সেবাদাস হিসেবে ক্ষমতা ধরে রেখে সেই দেশের সম্পদ পাচারে সহযোগিতা করেছেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, শেখ হাসিনা বাকশালের কায়দায় দেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছে। গত ১৬ বছর দেশে গণতন্ত্র ছিল না, এখন তা ফিরে এসেছে।
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এবারের নির্বাচন হবে বিশ্বের কাছে স্বীকৃত, সুষ্ঠু ও প্রশংসিত। জনগণ এখন নিজেদের অধিকার সম্পর্কে আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। তারা নিজেরাই নিজেদের ভোটাধিকার পাহারা দেবেন।
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের অর্থনীতি ও প্রশাসনের ধসে পড়া কাঠামো পুনর্গঠন করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, দেশের মানুষ এখন পরিবর্তন, ন্যায়বিচার ও শান্তি চায়। বিএনপির ইশতেহার হবে বাস্তবসম্মত ও জনমুখী। আমরা ক্ষমতায় গেলে দেশে সমৃদ্ধি ও নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করব।
ভোটারদের উদ্দেশে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আপনাদের একটি ভোটই পারে দেশের ভাগ্য বদলে দিতে। কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দেবেন। এ সময় তিনি দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চান।
সমাবেশে সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য হাসিনা আহমেদ, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না ছাড়াও জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও গতিশীল হবে বলে মনে করা হচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনে এই ঘটনার প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের জনগণ এখন একটি নতুন ভবিষ্যতের আশায় বাকি। তারা আশা করছে যে আসন্ন নির্বাচনে তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে দেশের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারবে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট আরও গতিশীল হবে বলে মনে করা হচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনে এই ঘটনার প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের জনগণ এখন একটি নতুন ভবিষ্যতের আশায় বাকি। তারা আশা করছে যে আসন্ন নির্বাচনে তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে দেশের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারবে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আ



