যুক্তরাষ্ট্রে বিমানবন্দরে যাত্রীদের পোশাক নিয়ে নতুন করে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়েছে। মার্কিন পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি যাত্রীদের ‘সম্মানজনক ও ভালো’ পোশাক পরার পরামর্শ দিয়েছেন। এই পরামর্শের প্রেক্ষিতে অনেকেই এটিকে সীমা অতিক্রম বলে মনে করছেন।
প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে অনেকে সরাসরি পায়জামা পরে বিমানবন্দরে হাজির হচ্ছেন। ট্রাম্প প্রশাসন গত নভেম্বর থেকে ‘দ্য গোল্ডেন এজ অব ট্রাভেল স্টার্টস উইথ ইউ’ নামে একটি প্রচারণা চালাচ্ছে। এই প্রচারণার লক্ষ্য হল বিমান ভ্রমণে শালীনতা, সৌজন্য ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা।
শন ডাফি বলেছেন, জিনস আর পরিষ্কার শার্টই যথেষ্ট। তবে অন্তত স্লিপার আর পায়জামা পরে যেন বিমানবন্দরে না আসা হয়। তাঁর মতে, ভালো পোশাক মানুষের আচরণকেও ভদ্র করে। বিভাগটি নতুন প্রচারণার পক্ষে ২০১৯ সালের পর অসদাচরণকারী যাত্রীসংখ্যা বৃদ্ধির তথ্য তুলে ধরেছে।
গত চার বছরে যাত্রীদের বিশৃঙ্খল আচরণের প্রায় ১৪ হাজার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, যা আগের তুলনায় ৪০০ শতাংশ বেশি। এই পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে বিভিন্ন স্তরের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সকল স্টেকহোল্ডারদের একসাথে কাজ করা প্রয়োজন।
বিমানবন্দরে যাত্রীদের পোশাক নিয়ে এই তর্ক-বিতর্ক আমেরিকার সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। এই বিষয়ে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। কেউ কেউ মনে করছেন যে এই ধরনের পরামর্শ যাত্রীদের স্বাধীনতাকে সীমাবদ্ধ করবে, অন্যদিকে অনেকে মনে করছেন যে এটি বিমানবন্দরে আরও ভদ্র পরিবেশ তৈরি করবে।
এই বিষয়ে আরও আলোচনা ও গবেষণা প্রয়োজন। বিমানবন্দরে যাত্রীদের পোশাক নিয়ে এই তর্ক-বিতর্ক কীভাবে সমাধান করা যায় সে বিষয়ে সকল স্টেকহোল্ডারদের একসাথে কাজ করা প্রয়োজন। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
বিমানবন্দরে যাত্রীদের পোশাক নিয়ে এই তর্ক-বিতর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। এই বিষয়ে আরও আলোচনা ও গবেষণা প্রয়োজন। সময়মতো পদক্ষেপ নিয়ে এই সমস্যা সমাধান করা প্রয়োজন।



