ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ‘পুশ ইন’ করার পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে আটক অন্তঃসত্ত্বা নারী সোনালী বিবি ও তাঁর শিশুসন্তানকে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ভারতের কলকাতা হাইকোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে তাঁদের ফেরত নেয় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।
সোনালী বিবির স্বামী দানিস শেখ জানান, তাঁর স্ত্রী ও শিশুসন্তান দেশে ফিরতে পারলেও তিনিসহ চারজনকে বিএসএফ গ্রহণ না করায় মনঃকষ্টের মধ্যে রয়েছেন। তিনি বলেন, গত ২০ আগস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার আলীনগর মহল্লার সোনালী বিবির এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তিনি, তাঁদের আট বছর বয়সী ছেলে এবং সুইটি বিবি (৩৩) ও তাঁর ১৬ ও ৬ বছর বয়সী ছেলেকে আটক করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থানা–পুলিশ।
বিজিবির মহানন্দা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া বলেন, বিএসএফের এই অমানবিক পুশ ইন কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড ও দ্বিপক্ষীয় সীমান্ত ব্যবস্থাপনা চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। পুশ ইনের এই কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় মানবিক সংকটের সৃষ্টি করছে এবং উভয় দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের ক্ষতি করছে।
ফেরত নেওয়ার পর গতকাল রাতেই অন্তঃসত্ত্বা সোনালী বিবিকে পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভারতীয় টিভির সংবাদ থেকে এ তথ্য জেনেছেন বলে জানান দানিস শেখ। তিনি বলেন, স্ত্রী ও শিশুসন্তান দেশে ফিরতে পারলেও তিনিসহ চারজনকে বিএসএফ গ্রহণ না করায় মনঃকষ্টের মধ্যে রয়েছেন।
এই ঘটনায় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বাড়ছে। উভয় দেশের কর্তৃপক্ষকে এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তারা বলছে, সীমান্ত এলাকায় মানবিক সংকট রোধ করার জন্য উভয় দেশের সরকারকে একসাথে কাজ করতে হবে।
এই ঘটনার পর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সতর্কতা অবলম্বন করেছে। তারা বলছে, সীমান্ত এলাকায় মানবিক সংকট রোধ করার জন্য তারা সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে।
এই ঘটনায় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের উপরও প্রভাব পড়ছে। উভয় দেশের কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার তদন্ত করছে। তারা বলছে, এই ঘটনার জন্য দায়ীদের শাস্তি দেওয়া হবে।
এই ঘটনায় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে। উভয় দেশের কর্তৃপক্ষকে এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তারা বলছে, সীমান্ত এলাকায় মানবিক সংকট রোধ করার জন্য উভয় দেশের সরকারকে একসাথে কাজ করতে হবে।



