কৃষ্ণসাগরে একটি তেল পরিবহনকারী জাহাজে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার পর বাংলাদেশি নাবিকদের জীবন ঝুঁকিতে পড়েছে। গত ২৮ নভেম্বর জাহাজটিতে হামলা করেছিল ইউক্রেনের নৌবাহিনী। হামলার পর জাহাজটি তুরস্কের উপকূলের কাছে এসেছিল, কিন্তু এখন এটি বুলগেরিয়ার জলসীমায় চলে গেছে।
জাহাজটিতে থাকা বাংলাদেশি নাবিক মাহফুজুল ইসলাম জানিয়েছেন, তাঁরা জাহাজটি নিরাপদে তীরে আনার দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু জাহাজটির ইঞ্জিন ধ্বংস হয়ে গেছে, এবং তাঁরা এটিকে নোঙ্গর করতে পারেননি। এখন তাঁরা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে জাহাজটি ভাসতে ভাসতে বুলগেরিয়ার জলসীমায় চলে গেছেন।
মাহফুজুল ইসলাম বলেছেন, তাঁরা বুলগেরিয়ার কোস্টগার্ডকে জানিয়েছেন, কিন্তু তাঁরা এখনও কোনও সাড়া পাননি। তাঁরা খাবার ও পানির অভাবে ভুগছেন, এবং তাঁদের জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে।
জাহাজটিতে মোট ১০ জন নাবিক রয়েছেন, যাদের মধ্যে সাতজন চীনা, একজন ইন্দোনেশিয়ান এবং একজন মিয়ানমারের নাবিক রয়েছেন। তাঁরা সবাই একসাথে জাহাজটি নিরাপদে তীরে আনার দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এই ঘটনাটি কৃষ্ণসাগরে উত্তেজনা বাড়িয়েছে, এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই বিষয়ে উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশ সরকার এই বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে, এবং তাঁরা বাংলাদেশি নাবিকদের নিরাপদে দেশে ফেরত আনার জন্য কাজ করছেন।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলবে, এবং কৃষ্ণসাগরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে, এবং কৃষ্ণসাগরে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য কাজ করতে হবে।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশের জন্য একটি উদ্বেগের বিষয়, এবং সরকারকে এই বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। বাংলাদেশি নাবিকদের নিরাপদে দেশে ফেরত আনার জন্য সরকারকে কাজ করতে হবে, এবং তাঁদের পরিবারকে সহায়তা প্রদান করতে হবে।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলবে, এবং কৃষ্ণসাগরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে, এবং কৃষ্ণসাগরে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য কাজ করতে হবে।



