বাংলাদেশে স্যাটায়ার ও মিম নিয়ে মামলা করা হচ্ছে। এই মামলার প্রেক্ষাপটে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রখ্যাত আলোকচিত্রী শহীদুল আলম বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা ম্যান্ডেলা যেখানে ব্যঙ্গচিত্রকে স্বাগত জানিয়েছিলেন, সেখানে বাংলাদেশে মিম বা স্যাটায়ারের জন্য মামলা দেওয়া হচ্ছে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আইনজীবী সারা হোসেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের সংজ্ঞা অনুযায়ী, শুধু আইন তৈরি বা নির্বাচন করাই গণতন্ত্র নয়। অন্যের মত গ্রহণ করাও গণতন্ত্রের অন্যতম শর্ত। রাষ্ট্রদ্রোহিতা বা মানহানির মতো পুরোনো আইনগুলো ব্যবহার করে এখনো মানুষের মুখ বন্ধ করা হচ্ছে।
সভায় লেখক ও সংগঠক ফিরোজ আহমেদও বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, স্যাটায়ারের কারণে অতীতে নির্যাতনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর দেশে স্যাটায়ারের ব্যবহার বেশি হয়েছে। এই স্যাটায়ারের কারণে ক্ষমতাসীনদের প্রশ্ন করা হচ্ছে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখা হয়। বক্তারা বলেন, স্যাটায়ার ও মিম হলো মতপ্রকাশের এক মাধ্যম। এই মাধ্যমটি ব্যবহার করে ক্ষমতাসীনদের প্রশ্ন করা হচ্ছে। কিন্তু এই প্রশ্ন করার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে মানুষকে।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হলো গণতন্ত্রের মূল চাবিকাঠি। এই স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা হলে গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়ে। তাই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করা প্রয়োজন।
সভায় শেষ পর্যন্ত বক্তারা বলেন, স্যাটায়ার ও মিম হলো মতপ্রকাশের এক মাধ্যম। এই মাধ্যমটি ব্যবহার করে ক্ষমতাসীনদের প্রশ্ন করা হচ্ছে। এই প্রশ্ন করার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হলে গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়ে। তাই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করা প্রয়োজন।
সভায় উপস্থিত বক্তারা বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য সকলকে একত্রিত হতে হবে। এই স্বাধীনতা রক্ষা করা প্রয়োজন গণতন্ত্রের জন্য। গণতন্ত্র রক্ষা করা প্রয়োজন দেশের জন্য।
সভায় শেষ পর্যন্ত বক্তারা বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করা প্রয়োজন। এই স্বাধীনতা রক্ষা করা প্রয়োজন গণতন্ত্রের জন্য। গণতন্ত্র রক্ষা করা প্রয়োজন দেশের জন্য। তাই সকলকে একত্রিত হতে হবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য।



