বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে এক অনন্য সাফল্যের ঘটনা ঘটেছে। টঙ্গীর এক কিশোর তাসফিন ফেরদৌসের হাত পুনঃসংযোজন করা হয়েছে। এই অস্ত্রোপচার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সম্পন্ন হয়েছে।
এই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাসফিনের হাতটি ২১ ঘণ্টার জটিল অপারেশনের পর সফলভাবে জোড়া লাগানো হয়েছে। এই সাফল্য বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রের এক উল্লেখযোগ্য অর্জন। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এই সাফল্যের প্রশংসা করেছেন।
রিজভী বলেছেন, বাংলাদেশের চিকিৎসকরা যে দক্ষতা ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করেন— তার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হলো তাসফিনের হাত পুনঃসংযোজন। এটি একটি বিরল সাফল্য। তিনি আরও বলেন, আমাদের চিকিৎসকরা যদি যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পান, তবে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে হবে না।
তাসফিন ফেরদৌস সন্ত্রাসীদের হামলায় তার হাত হারিয়েছিল। কিন্তু এখন সে তার হাত নাড়াতে পারে, আঙুল নাড়াতে পারে— এটি সত্যিই বিস্ময়কর একটি অর্জন। এই অস্ত্রোপচার পরিচালনাকারী চিকিৎসক দলকে বিশেষ অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারিতে ডা. মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম শরীফের তত্ত্বাবধানে ২১ ঘণ্টার জটিল মাইক্রোসার্জারি করে তাসফিন ফেরদৌসের হাত জোড়া লাগানো হয়েছে। এই সাফল্য বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রের জন্য এক উল্লেখযোগ্য অর্জন।
এই ঘটনায় আমরা বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রের উন্নয়ন ও অগ্রগতির এক নতুন দৃষ্টান্ত পাই। আশা করা যায়, এই সাফল্য বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রের জন্য এক নতুন দিক নির্দেশ করবে।
সুপারিশ: বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য আরও গবেষণা ও উন্নয়ন প্রয়োজন। আমাদের চিকিৎসকদের দক্ষতা ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করার জন্য প্রয়োজন যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতা।



