দিনাজপুরের ফুলবাড়ী খনি থেকে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন নিয়ে ২০০৬ সালে হওয়া আন্দোলনের পর সরকারের পিছু হাঁটার সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের জন্য আত্মঘাতী বলে মনে করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বাংলাদেশকে স্থায়ীভাবে ভারতীয় কয়লার ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছে।
শুক্রবার একটি পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এসব মত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, কয়লা উত্তোলন না করার ফলে যে বিশাল ব্যয় হয়েছে, তা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। আন্দোলনের কারণে প্রকল্প স্থগিত হলো এমন সময়ে, যখন শিল্পোন্নত দেশগুলো প্রাথমিক জ্বালানির জন্য কয়লার ওপর নির্ভরশীল ছিল এবং যখন বাংলাদেশের গ্যাস মজুদ দৃশ্যত কমে যাচ্ছিল।
শফিকুল আলম মনে করেন, তখন প্রকল্পটি দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিশ্বব্যাপী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তখন আদর্শ ছিল। প্রকল্প বাতিল হওয়ায় দেশের অর্থপ্রদানের ভারসাম্যে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়েছে। তাঁর হিসেবে, বার্ষিক কয়লা উত্তোলন হলে জ্বালানি আমদানিতে কমপক্ষে দুই শ কোটি ডলার সাশ্রয় হতো।
শফিকুল আলম বলেন, পরিবেশ-বিধ্বংসী হবে এমন আশঙ্কা এবং প্রভাবশালী সংবাদপত্রের সমর্থিত বামপন্থী গোষ্ঠীর ভয়ে ফুলবাড়ী, দিঘিপাড়া ও জামালগঞ্জের কয়লা সম্পদ অক্ষত রাখা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, এটি ছিল ‘আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত’। এর ফলে বাংলাদেশ স্থায়ীভাবে ভারতীয় কয়লার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। আজ প্রায় ১০ হাজার ইটভাটায় ভারতীয় কয়লা পোড়ানো হচ্ছে, যা বায়ুদূষণের বৃহত্তম উৎসে পরিণত হয়েছে।
শফিকুল আলম মনে করেন, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণও থেমে গেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়বে। তিনি আশা করেন, সরকার এই সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা করবে এবং দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের ওপর যে প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। অনেকে মনে করেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়বে। তারা আশা করেন, সরকার এই সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা করবে এবং দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।
এই বিষয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক চলছে। অনেকে মনে করেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়বে। তারা আশা করেন, সরকার এই সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা করবে এবং দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের ওপর যে প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে। তাদের উচিত এই সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা করা এবং দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া।
এই বিষয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন। সরকারকে উচিত এই সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা করা এবং দেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া। এই সিদ্ধান্তের ফলে দে



