ঢাকার রূপনগরে একটি রাসায়নিক গুদাম ও গার্মেন্টস কারখানায় আগুন লেগেছে, যার ফলে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাটি আবারও সরকারের ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
আগুনটি রাসায়নিক বিস্ফোরণের ফলে হয়তো শুরু হয়েছিল, যা বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে দিয়েছিল। অনেক মানুষ তাত্ক্ষণিকভাবে মারা যায়তো বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পরে সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য এটি একটি বড় উদ্বেগের বিষয়।
সরকার ২০১০ সালে নিমতলি আগুনের পরে রাসায়নিক গুদাম ও কারখানাগুলোকে স্থানান্তরিত করার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হয়নি।
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন জানিয়েছে যে তারা রাসায়নিক গুদামগুলোর তালিকা আপডেট করেনি ২০১৯ সালের পর থেকে। স্থানীয়রা বলছে যে এই তালিকাটি অসম্পূর্ণ, কারণ অনেক গুদাম নিবন্ধিত নয়।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে। সরকারকে এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ঢাকার বাসিন্দারা এই ঘটনার পরে আতঙ্কিত। তারা সরকারের কাছে নিরাপত্তা চাইছে। সরকারকে এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য কাজ করতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পরে সরকারের প্রতিক্রিয়া কী হবে তা দেখার বিষয়। সরকারকে এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পরে ঢাকার বাসিন্দারা আশঙ্কিত। তারা সরকারের কাছে নিরাপত্তা চাইছে। সরকারকে এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য কাজ করতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সরকারকে এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সরকারকে এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য কাজ করতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই ঘটনার পরে সরকারের প্রতিক্রিয়া কী হবে তা দেখার বিষয়। সরকারকে এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।



