কানাডা সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্রের তালিকা থেকে সিরিয়াকে বাদ দিয়েছে। কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
একই সঙ্গে বাশার আল-আসাদ সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করা বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শামের নামও সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এসব সিদ্ধান্ত যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
দেশের স্থিতিশীলতা বাড়াতে, অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যৎ গড়তে এবং বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী উদ্যোগে কাজ করতে সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টার কারণেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে হায়াত তাহরির আল-শাম ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি।
কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সিরিয়া সরকারের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক রূপান্তরের পদক্ষেপকে কানাডা স্বাগত জানায়।
অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ার লড়াইয়ে সিরিয়ার জনগণের পাশে আছে কানাডা।
এই সিদ্ধান্তের ফলে সিরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে।
কানাডা ও সিরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সিরিয়ার জনগণের জন্য এই সিদ্ধান্ত একটি নতুন দিক নির্দেশ করবে।
কানাডা ও সিরিয়ার মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সিরিয়ার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উন্নতি লাভ করবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে সিরিয়ার জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নতি লাভ করবে।
কানাডা ও সিরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
এই সিদ্ধান্ত কানাডা ও সিরিয়ার মধ্যে একটি নতুন যুগের সূচনা করবে।
কানাডা ও সিরিয়ার মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উভয় দেশের জনগণের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা যাবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে কানাডা ও সিরিয়ার মধ্যে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।
কানাডা ও সিরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য একটি ভালো উদাহরণ স্থাপন করা যাবে।
এই সিদ্ধান্ত কানাডা ও সিরিয়ার মধ্যে একটি নতুন যুগের সূচনা করবে।
কানাডা ও সিরিয়ার মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উভয় দেশের জনগণের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা যাবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে কানাডা ও সিরিয়ার মধ্যে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।
কানাডা ও সিরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
এই সিদ্ধান্ত কানাডা ও সিরিয়ার মধ্যে একটি নতুন যুগের সূচনা করবে।
কানাডা ও সিরিয়ার মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উভয় দেশের জনগণের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা যাবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে কানাডা ও সিরিয়ার মধ্যে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।
কানাডা ও সিরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য একটি ভালো উদাহরণ স্থাপন করা



