বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল শহরে বাস করা কেমন হয়? এই প্রশ্নটি আমাদের মনে আসে যখনই সাংবাদিকতার স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলা হয়। সাংবাদিক এস এম আলীর ৯৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে, আমরা তার একটি প্রবন্ধ পুনর্মুদ্রণ করছি যা মূলত ১৯৯১ সালের ২৮শে জুন এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
সাংবাদিকতার স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করার সময়, ১৯৭৪ সালে সরকার কর্তৃক ঢাকায় চারটি ব্যতীত সকল সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনাটি মনে আসে। এটি আমাদের চিন্তায় নিয়ে আসে যে কিভাবে সরকার সাংবাদিকতার স্বাধীনতাকে দমন করতে পারে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য উত্তর খুঁজে বের করতে হবে।
বাংলাদেশে সাংবাদিকতার স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে একটি গবেষণা প্রয়োজন। এই গবেষণাটি করতে পারে প্রেস ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশ (পিআইবি) বা বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অফ জার্নালিস্টস (বিএফইউজে)। এই গবেষণায় সাংবাদিকতার স্বাধীনতার ইতিহাস সম্পর্কে তথ্য থাকবে, যা আমাদের দেশের সাংবাদিকতার ইতিহাস সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবে।
সাংবাদিকতার স্বাধীনতা নিয়ে আমাদের চিন্তা করতে হবে। আমাদের ভবিষ্যতের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে এবং এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সাংবাদিকরা তাদের কাজ করতে পারে স্বাধীনভাবে।
সাংবাদিকতার স্বাধীনতা নিয়ে আমাদের চিন্তা করার জন্য অনেক কিছু আছে। আমাদের ভবিষ্যতের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে এবং এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সাংবাদিকরা তাদের কাজ করতে পারে স্বাধীনভাবে।
সাংবাদিকতার স্বাধীনতা নিয়ে আমাদের চিন্তা করতে হবে। আমাদের ভবিষ্যতের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে এবং এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সাংবাদিকরা তাদের কাজ করতে পারে স্বাধীনভাবে।



