সরকারের অনুমোদন ছাড়াই ভোজ্য তেলের দাম বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন গত ১৪ অক্টোবর ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। বোতলের সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ছয় টাকা এবং খোলা তেল আট টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা আসে।
ঢাকার মহাখালী কাঁচবাজারে পুরনো দরের সঙ্গে নতুন দরের সয়াবিন তেলের বোতলও পাওয়া যায়। গ্রাহকদের ‘পছন্দ’ অনুযায়ী নতুন ও পুরনো দরে সয়াবিন তেল নেওয়ার সুযোগ রাখার কথা বলেছেন এই বাজারের রাজিব জেনারেল স্টোরের স্বত্বাধিকারী রাজিব হোসেন। তিনি বলেন, “পুরনো দরের সব তেল আছে। যে নতুনটা নেবে তার জন্য নতুন রেট, পুরনোটা নিলে আগের রেটই। আমরা তো কাস্টমারের লগে ক্যাচাল করতে পারবো না-তাই দুইটাই রাখছি。”
আগের দর অনুযায়ী প্রতি লিটার বোতলের সায়বিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৮৯ টাকা। এখন ৯ টাকা বাড়িয়ে ১৯৮ টাকা দরে বাজারে ছাড়া হয়েছে। প্রতি পাঁচ লিটারের বোতলের দর ৯২২ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৯৬৫ টাকা। দুই লিটারের বোতলে ৮ টাকা বাড়িয়ে ৩৯৬ টাকা দর ঠিক করা হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা সরকারের সঙ্গে কথা বলেননি। সরকার তাদের কারণ দর্শানোর নোটিস জারি করেছে। একই সাথে, সরকার তাদের একটি সভায় আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, “ব্যবসায়ীরা আমাদের সঙ্গে কথা বলেননি। আমরা তাদের কারণ দর্শানোর নোটিস জারি করেছি। একই সাথে, আমরা তাদের একটি সভায় আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি।”
বাজারে সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে গ্রাহকরা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। গ্রাহকরা বলছেন, দাম বৃদ্ধির ফলে তারা সয়াবিন তেল কেনার ক্ষমতা হারাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারকে দাম নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন গ্রাহকরা।
সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম বৃদ্ধির ফলে তারা লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারকে দাম নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দাম বৃদ্ধির ফলে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারকে দাম নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা।



