ইন্টার মায়ামি ফুটবল ক্লাবের সাফল্যের পিছনে দুই জন ব্যক্তির নাম অগ্রণী হচ্ছে – ডেভিড বেকহ্যাম এবং লিওনেল মেসি। এই দুই জন ফুটবল জগতের দুই বিশাল নাম, যারা একসাথে মায়ামিকে ফুটবলের উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
ডেভিড বেকহ্যাম ২০১৩ সালে মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) তার পরিকল্পিত ফুটবল দলটির জন্য মায়ামিকে বেছে নিয়েছিলেন। এই সিদ্ধান্তের পরিণতি অনেকেই কল্পনা করতে পারেননি। বেকহ্যাম এমএলএসের সাথে হওয়া একটি আর্থিক চুক্তির অংশ হিসেবে ১৫.৬ মিলিয়ন পাউন্ডে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি কিনে নিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্লাবটি চালু হয় এবং ২০২০ সালের মার্চ মাসে তারা এমএলএসে আত্মপ্রকাশ করে।
২০২৩ সালে লিওনেল মেসিকে সই করানোর পর ইন্টার মায়ামি এখন লিগের সবচেয়ে বড় শিরোপা জেতার দোরগোড়ায়। শনিবার এমএলএস কাপ ফাইনালে তারা থমাস মুলারের ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের মুখোমুখি হবে। এই সফলতা বেকহ্যামের প্রজেক্টের মাঠে ও মাঠের বাইরে দ্রুত উত্থানের স্মারক। মায়ামি আমেরিকাজুড়ে ফুটবলের প্রতি আগ্রহের এক বিশাল ঢেউ এনে দিয়েছে।
ইন্টার মায়ামির চিফ বিজনেস অফিসার জাভি আসেনসি বেকহ্যামের ভূমিকাকে অবিশ্বাস্য বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ডেভিড বেকহ্যাম না থাকলে আজ আমরা কেউই এখানে বসতাম না। তবে সবকিছু শেষ পর্যন্ত সম্ভব হয়েছে। ডেভিড বেকহ্যাম ও লিওনেল মেসির মতো বিশ্বজোড়া পরিচিত নাম আর নেই, তাঁরা এখানে এক হয়েছেন।
২০২৩ সালের ৭ জুন কয়েক সপ্তাহ জল্পনা চলার পর ইন্টার মায়ামি আনুষ্ঠানিকভাবে মেসির সাথে চুক্তির ঘোষণা করে। মাত্র দুই মৌসুম পিএসজিতে কাটানোর পর এই আর্জেন্টাইন তারকা মায়ামিতে যোগ দেন। এই সংযুক্তি ইন্টার মায়ামির জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
ইন্টার মায়ামির সাফল্য বেকহ্যামের দূরদর্শিতা ও মেসির অসাধারণ প্রতিভার ফল। এই দুই জন ব্যক্তির সমন্বয়ে মায়ামি ফুটবলের মানচিত্রে একটি নতুন অধ্যায় যোগ করেছে। এমএলএস কাপ ফাইনালে তাদের সাফল্য মায়ামির ফুটবল ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে চলেছে।



