সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এএম মাহবুব উদ্দিন সুপ্রিম কোর্ট সিক্রেটারিয়েট অর্ডিন্যান্স ২০২৫ জারির বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই অর্ডিন্যান্স জারির মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়েছে।
বুধবার এক প্রেস কনফারেন্সে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি, আইন উপদেষ্টা এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে ধন্যবাদ জানানো হয়। কারণ তারা সকলেই সুপ্রিম কোর্ট সিক্রেটারিয়েট অর্ডিন্যান্স ২০২৫ জারির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, এই অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে বিচারকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এখন বিচার বিভাগ নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবে। এই অর্ডিন্যান্স জারির মাধ্যমে দেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়েছে।
তবে কিছু প্রশ্নও রয়েছে। কারণ অনেকে মনে করেন, বিচারকরা পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে পড়তে পারেন। তারা স্বেচ্ছাচারীভাবে আচরণ করতে পারেন। এমনকি তারা দুর্নীতিতে জড়িত হতে পারেন। এই সমস্যাগুলো সমাধান করা দরকার।
সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান এই প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন। অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও সেশনস বিচারক মোহাম্মদ মাসদার হোসেন বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছেন। তিনি সুপ্রিম কোর্ট সিক্রেটারিয়েট অর্ডিন্যান্স ২০২৫ জারির বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে বিচার বিভাগ এখন নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবে।
আইন মন্ত্রণালয় ৩০শে নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সিক্রেটারিয়েট অর্ডিন্যান্স ২০২৫ জারি করেছে। এই অর্ডিন্যান্সে সিক্রেটারিয়েটের সামগ্রিক নিয়ন্ত্রণ ও আর্থিক বিষয়গুলো প্রধান বিচারপতির অধীনে রাখা হয়েছে।
এই অর্ডিন্যান্স জারির মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়েছে। এখন বিচারকরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবেন। তবে কিছু প্রশ্নও রয়েছে। কারণ অনেকে মনে করেন, বিচারকরা পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে পড়তে পারেন। এই সমস্যাগুলো সমাধান করা দরকার।



