চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশ ইনশাল্লাহ কোরআনের আলোকে আবাদ হবে।
শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কোনো বিশেষ দলের বিজয় চাচ্ছি না। আট দলের বিজয় চাচ্ছি না। আমরা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের আকাঙ্ক্ষার বিজয় চাই। আর সেই আকাঙ্ক্ষার বিজয় হবে, কোরআনি আইনের মাধ্যমে ইনশাল্লাহ।
তিনি বলেন, আমরা কোনো লাল চক্ষুকে পরোয়া করব না। কোনো দাদাবাবু মানি না, কোনো বড়ভাই মানি না। সকলের সঙ্গে আমাদের সর্ম্পক হবে সমতা এবং পারষ্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে।
চট্টগ্রামবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা আপনাদেরকে আহ্বান জানাব, বিজয়ের এই হুইসেলটা, বিজয়ের এই বাঁশিটা, ইসলামের প্রবেশদ্বার, ইসলামাবাদখ্যাত এই চট্টগ্রাম থেকে আপনারা বাজাবেন ইনশাল্লাহ। এই বিজয়ের বাঁশি এখান থেকে শুরু হবে আর চেরাপুঞ্জির পাহাড়ে গিয়ে ধাক্কা লাগবে ইনশাআল্লাহ।
সংসদ নির্বাচনের আগে জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোট আয়োজনসহ পাঁচ দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সরকার একইদিন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ঘোষণার কথা বলেছে কমিশন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কোরআনকে বুকে নিয়ে, রাসুলের সুন্নাহকে বুকে নিয়ে আমরা বাঁচতে চাই, মরতে চাই। আমরা কোনো লাল চক্ষুকে পরোয়া করব না। কোনো দাদাবাবু মানি না, কোনো বড়ভাই মানি না। সকলের সঙ্গে আমাদের সর্ম্পক হবে সমতা এবং পারষ্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে।
গত বছরের ৫ অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনের অবসানের পর দেশের হাল ধরে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার, যারা নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের অপেক্ষা আছে। জামায়াতের আমির বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ ‘স্বস্তিতে’ কথা বলতে পারেনি। বাংলাদেশের মানুষের জীবনের কোনো ‘নিরাপত্তা ছিল না’।



