দিনাজপুরের কাহারোলে অবস্থিত হাসকিং মিলগুলো একে একে বন্ধ হচ্ছে। এই মিলগুলোতে কাজ করতেন হাজার হাজার শ্রমিক, কিন্তু বর্তমানে তারা বেকার হয়ে পড়েছেন। হাসকিং মিলগুলো বন্ধ হওয়ার কারণ হলো অটোরাইস মিলগুলোর প্রাধান্য। অটোরাইস মিলগুলো চাল উৎপাদনে হাসকিং মিলগুলোর চেয়ে বেশি দক্ষ, ফলে হাসকিং মিলগুলো প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না।
দিনাজপুরের কাহারোলে 139টি হাসকিং মিলের মধ্যে 118টি বন্ধ রয়েছে। এই মিলগুলোতে কাজ করতেন প্রায় 15 হাজার শ্রমিক, কিন্তু বর্তমানে তারা বেকার হয়ে পড়েছেন। হাসকিং মিলগুলো বন্ধ হওয়ার কারণে শ্রমিকদের জীবন কষ্টকর হয়ে উঠেছে। তারা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে জীবনযাপন করছেন।
হাসকিং মিলগুলো বন্ধ হওয়ার কারণে চালের দাম বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অটোরাইস মিলগুলো চাল উৎপাদনে হাসকিং মিলগুলোর চেয়ে বেশি দক্ষ, তবে তারা চালের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে। এই কারণে সরকারকে হাসকিং মিলগুলোকে সচল রাখার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।
হাসকিং মিলগুলো বন্ধ হওয়ার কারণে শ্রমিকদের জীবন কষ্টকর হয়ে উঠেছে। তারা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে জীবনযাপন করছেন। সরকারকে হাসকিং মিলগুলোকে সচল রাখার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে, অন্যথায় শ্রমিকদের জীবন আরও কষ্টকর হয়ে উঠবে।
হাসকিং মিলগুলো বন্ধ হওয়ার কারণে চালের দাম বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অটোরাইস মিলগুলো চাল উৎপাদনে হাসকিং মিলগুলোর চেয়ে বেশি দক্ষ, তবে তারা চালের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে। এই কারণে সরকারকে হাসকিং মিলগুলোকে সচল রাখার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায়, চালের দাম বাড়বে এবং জনগণের জীবন কষ্টকর হয়ে উঠবে।
সরকারকে হাসকিং মিলগুলোকে সচল রাখার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায়, শ্রমিকদের জীবন আরও কষ্টকর হয়ে উঠবে এবং চালের দাম বাড়বে। সরকারকে এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে এবং হাসকিং মিলগুলোকে সচল রাখার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।
হাসকিং মিলগুলো বন্ধ হওয়ার কারণে জনগণের জীবন কষ্টকর হয়ে উঠেছে। সরকারকে এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে এবং হাসকিং মিলগুলোকে সচল রাখার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায়, জনগণের জীবন আরও কষ্টকর হয়ে উঠবে এবং চালের দাম বাড়বে।
সরকারকে হাসকিং মিলগুলোকে সচল রাখার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায়, জনগণের জীবন কষ্টকর হয়ে উঠবে এবং চালের দাম বাড়বে। সরকারকে এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে এবং হাসকিং মিলগুলোকে সচল রাখার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।



