পাকিস্তানি ব্যান্ড কাবিশের ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য কনসার্টটি বাতিল হয়েছে। ব্যান্ডটি ইতিমধ্যেই ঢাকায় পৌঁছেছে, কিন্তু ভেন্যুর অনুমতি না পাওয়ায় কনসার্টটি বাতিল করা হয়েছে।
কনসার্টটি ‘ওয়েভ ফেস্ট: ফিল দ্য উইন্টার’ শিরোনামে শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এতে কাবিশের পাশাপাশি বাংলাদেশের ব্যান্ড শিরোনামহীন, মেঘদলসহ আরও কয়েকজন শিল্পী পারফর্ম করার কথা ছিল।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান প্রাইম ওয়েভ কমিউনিকেশন জানিয়েছে, তারা ভেন্যুর অনুমতি পাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে, কিন্তু শেষ মুহূর্তে অনুমতি দেওয়া হয়নি। এতে গানপ্রেমী শ্রোতারা যেমন বঞ্চিত হয়েছেন, তেমনি আয়োজকেরাও অর্থনৈতিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
পাকিস্তানি ব্যান্ড কাবিশ বাংলাদেশের গানপ্রেমীদের কাছে পরিচিত। তারা এই বছরের জানুয়ারিতে ‘ঢাকা ড্রিমস’ কনসার্টে গাইতে ঢাকায় এসেছিল। তাদের ‘বাচপান’, ‘তেরে পেয়ার মে’ গানগুলি বাংলাদেশের শ্রোতাদের কাছে খুবই পরিচিত।
কাবিশ ব্যান্ডটি ১৯৯৮ সালে জাফর জাইদি ও মাজ মওদুদ মিলে গঠন করেন। তারা সেমি ক্ল্যাসিক্যাল ব্যান্ড হিসেবে পরিচিত। তাদের গানগুলি পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের শ্রোতাদের কাছে খুবই পরিচিত।
এই ঘটনায় গানপ্রেমী শ্রোতারা যেমন বঞ্চিত হয়েছেন, তেমনি আয়োজকেরাও অর্থনৈতিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে এড়ানোর জন্য আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলিকে সতর্ক থাকতে হবে।
কনসার্টটি বাতিল হওয়ায় গানপ্রেমী শ্রোতারা যেমন বঞ্চিত হয়েছেন, তেমনি আয়োজকেরাও অর্থনৈতিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে এড়ানোর জন্য আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলিকে সতর্ক থাকতে হবে। তাদের উচিত ভেন্যুর অনুমতি পাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা এবং শ্রোতাদের সাথে সততার সাথে যোগাযোগ করা।
এই ঘটনায় গানপ্রেমী শ্রোতারা যেমন বঞ্চিত হয়েছেন, তেমনি আয়োজকেরাও অর্থনৈতিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে এড়ানোর জন্য আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলিকে সতর্ক থাকতে হবে। তাদের উচিত ভেন্যুর অনুমতি পাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা এবং শ্রোতাদের সাথে সততার সাথে যোগাযোগ করা। এছাড়াও, তাদের উচিত শ্রোতাদের সাথে সমন্বয় করে কাজ করা এবং তাদের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করা।
এই ঘটনায় গানপ্রেমী শ্রোতারা যেমন বঞ্চিত হয়েছেন, তেমনি আয়োজকেরাও অর্থনৈতিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে এড়ানোর জন্য আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলিকে সতর্ক থাকতে হবে। তাদের উচিত ভেন্যুর অনুমতি পাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা এবং শ্রোতাদের সাথে সততার সাথে যোগাযোগ করা। এছাড়াও, তাদের উচিত শ্রোতাদের সাথে সমন্বয় করে কাজ করা এবং তাদের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করা। এই ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে এড়ানোর জন্য আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলিকে সতর্ক থাকতে হবে এবং শ্রোতাদের সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।
এই ঘটনায় গানপ্রেমী শ্রোতারা যেমন বঞ্চিত হয়েছেন, তেমনি আয়ো



