গাজা অঞ্চলের পুনর্গঠন এবং মানবিক সংকট মোকাবেলার জন্য চীন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে ১০ কোটি ডলার সহায়তা প্রদান করবে। এই ঘোষণা চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বেইজিংয়ে একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দেন।
ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস চীনা প্রেসিডেন্টকে মানবিক সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। তিনি ফিলিস্তিনের ন্যায্য অধিকার সমর্থন এবং পশ্চিম তীর ও গাজায় ইসরায়েলি দখলদারিত্ব কমাতে চীনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন।
চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, ফিলিস্তিনি ইস্যুর একটি সর্বসম্মত, ন্যায়সংগত ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত করার জন্য ফ্রান্সের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বৈশ্বিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের মধ্যেও দুই দেশের কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি, পারস্পরিক সহায়তা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের রাজনৈতিক ভিত্তি অটুট রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
গত সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহানের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে সহ-সভাপতিত্ব করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। দ্বিরাষ্ট্র সমাধান এবং একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতির পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদার করার লক্ষ্য সে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এই ঘোষণার মাধ্যমে চীন ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি তার সমর্থন প্রকাশ করেছে। এটি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
চীনের এই সিদ্ধান্ত ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য একটি আশার কথা বয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি ফিলিস্তিনি অর্থনীতিতে উন্নতি এবং মানবিক পরিস্থিতির উন্নতির দিকে পরিচালিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই ঘোষণার পর ফিলিস্তিনি নেতারা চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, চীনের এই সহায়তা ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন।
চীনের এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মোড় নির্দেশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য একটি আশার কথা বয়ে আনবে এবং মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।



