বাংলাদেশে এই বছর রেকর্ড পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। এর ফলে ভারতে পেঁয়াজের রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা এখন চড়া দামে পেঁয়াজ রপ্তানি করতে পারছে না।
বাংলাদেশের কৃষকরা এখন নিশ্চিত যে, দেশীয় উৎপাদনেই অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বাজার স্থিতিশীল রাখা যাচ্ছে। ভারতের পাইকারি বাজারে বিশাল পরিমাণ পেঁয়াজ পচে যাচ্ছে। ভারতীয় ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর দাবি, রপ্তানি বন্ধ থাকাই এই সংকটের মূল কারণ।
বাংলাদেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়ে যাওয়ায় ভারতে পেঁয়াজের দাম কমে গেছে। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা এখন পেঁয়াজ কিনতে অনিচ্ছুক। এর ফলে ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ভারতের গণমাধ্যম ইকোনমিক টাইমস জানিয়েছে, বাংলাদেশ আগে ভারতের মোট পেঁয়াজ রপ্তানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কিনত। এবার সেই দরজা বন্ধ। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের উৎপাদনক্ষমতা বেড়ে যাওয়ায় কৃষকের স্বার্থেই আমদানি বন্ধ রাখা হয়েছে।
ভবিষ্যতে ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি কীভাবে হবে তা এখনও অনিশ্চিত। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত যে, বাংলাদেশের কৃষকরা এখন অনেকটাই নিশ্চিত যে, দেশীয় উৎপাদনেই অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বাজার স্থিতিশীল রাখা যাচ্ছে।
ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি শিল্পে এই সংকটের ফলে অনেক ক্ষতি হচ্ছে। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা এখন পেঁয়াজ কিনতে অনিচ্ছুক। এর ফলে ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই সংকট কীভাবে সমাধান হবে তা এখনও অনিশ্চিত।
বাংলাদেশের কৃষকরা এখন অনেকটাই নিশ্চিত যে, দেশীয় উৎপাদনেই অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বাজার স্থিতিশীল রাখা যাচ্ছে। এর ফলে ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি শিল্পে সংকট দেখা দিচ্ছে। ভবিষ্যতে এই সংকট কীভাবে সমাধান হবে তা এখনও অনিশ্চিত।
ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি শিল্পে এই সংকটের ফলে অনেক ক্ষতি হচ্ছে। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা এখন পেঁয়াজ কিনতে অনিচ্ছুক। এর ফলে ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই সংকট কীভাবে সমাধান হবে তা এখনও অনিশ্চিত।



