কক্সবাজারের মহেশখালীতে বিএনপির এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। মৃত ফরিদুল আলম কালারমারছড়া ইউনিয়নের মৃত সৈয়দ আহমদের ছেলে এবং দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
ফরিদুল আলমের মৃত্যুর পরে একটি পক্ষ প্রচার করে যে, কক্সবাজার-২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া) আসনে বিএনপির দ্বিতীয় দফায় ঘোষিত প্রার্থী তালিকায় সাবেক সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদের নাম শুনেই ফরিদুল আলম হঠাৎ উল্লাসে চিৎকার দেনন। ঠিক সেই মুহূর্তেই তিনি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে বদরখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফরিদুল আলমের পরিবার জানিয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন এবং কয়েকবার স্ট্রোক করেছেন। টানা ১৫ দিন ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত সপ্তাহে তাকে কালারমারছড়ার নোনাছড়িস্থ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
ফরিদুল আলমের ভাতিজা মোহাম্মদ নিশান উদ্দিন জানিয়েছেন, মনোনয়ন পাওয়ার খবরে তার চাচা খুশিতে স্ট্রোক করে মারা গেছেন এ খবর মোটেও সত্য নয়। উনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। কোন পক্ষ ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক সুবিধার জন্য এরকম গুজব ছড়িয়েছে বলে তার ধারণা।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ফরিদুল আলমের অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল জানিয়ে নিশান বলেন, চাচাকে চট্টগ্রাম নেওয়ার সব প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু সন্ধ্যায় হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে আমরা তাকে পাশের বদরখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাই। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখান থেকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফরিদুল আলমের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে পরিবার। মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে পরিবার।
এদিকে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে গুজব বলে দাবি করেছে ফরিদের পরিবার। পরিবার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফরিদ দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন এবং কয়েকবার স্ট্রোক করেছেন।
ফরিদুল আলমের মৃত্যু নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে। বিএনপি নেতার মৃত্যু নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করছেন।
ফরিদুল আলমের মৃত্যু কক্সবাজারের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে উত্তপ্ত আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সংগঠন তাদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে।
ফরিদুল আলমের মৃত্যু কক্সবাজারের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। তার মৃত্যুর পরে কক্সবাজারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।
ফরিদুল আলমের মৃত্যু কক্সবাজারের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হবে। তার মৃত্যুর পরে কক্সবাজারের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে কী পরিবর্তন আসবে তা ভবিষ্যতে দেখ



