বাংলাদেশের মহিলা ক্রীড়াবিদরা ডিজিটাল নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। এই নির্যাতন তাদের আত্মবিশ্বাস, কর্মজীবন এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করছে। বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার রুমানা আহমেদ এবং নিশানা চালক কামরুন নাহার কলি তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।
রুমানা আহমেদ বলেছেন, নেতিবাচক মন্তব্যগুলো তার কর্মজীবন এবং পারফরম্যান্সকে প্রভাবিত করে। তিনি বলেছেন, যখন তার ফর্ম খারাপ হয়, তখন নেতিবাচক মন্তব্যগুলো বেড়ে যায়। অপরিচিত লোকেরা তার ফর্মের পিছনে কারণ তৈরি করে এবং নেতিবাচকতা বাড়িয়ে দেয়।
কামরুন নাহার কলি বলেছেন, তিনি তার দলের কোনো সদস্যকে নির্যাতনের কারণে ক্রিকেট ছেড়ে যেতে দেখেননি। তবে, মহিলা ক্রিকেটের বর্তমান পরিস্থিতি তাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। তিনি বলেছেন, এখন মহিলা ক্রিকেটের প্রতি মনোযোগ বেড়েছে, তাই নেতিবাচক মন্তব্যও বেড়েছে।
রুমানা আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই বিষয়ে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। তিনি বলেছেন, নির্যাতনকারীরা এই কাজগুলো করে কারণ তারা জানে যে তাদের কিছু হবে না। তাই, বিসিবি এই বিষয়ে আরও সচেতন হওয়া উচিত।
বাংলাদেশের মহিলা ক্রীড়াবিদরা ডিজিটাল নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। তারা চায় যে তাদের অধিকার রক্ষা করা হোক এবং তারা নিরাপদে তাদের খেলা চালিয়ে যেতে পারুক।
বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেট দল আশা করছে যে তারা আগামী দিনে আরও ভালো পারফরম্যান্স করতে পারবে। তারা চায় যে তাদের অনুপ্রেরণা দেওয়া হোক এবং তারা তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারুক।
বাংলাদেশের মহিলা ক্রীড়াবিদদের ডিজিটাল নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সমর্থন প্রয়োজন। তাদের অধিকার রক্ষা করা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।



