বাংলাদেশের সরকারি চাকরির পরীক্ষা বিসিএস-এর প্রশ্নপত্রে মুক্তিযুদ্ধকে ‘প্রতিরোধ যুদ্ধ’ বলা হয়েছে। এছাড়াও পাকিস্তানি বাহিনীর পরিবর্তে ‘দখলদার বাহিনী’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
এই প্রশ্নপত্রটি ৪৭তম বিসিএস-এর ‘বাংলাদেশ বিষয়াবলি’ বিষয়ের জন্য প্রণীত হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়েছে।
বিভিন্ন পরিসরে এই প্রশ্নপত্র নিয়ে সমালোচনা চলছে। অনেকে এই প্রশ্নপত্রকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা বলে মনে করছেন।
একজন প্রার্থী বলেছেন, ‘প্রতিরোধ যুদ্ধ’ ও ‘দখলদার বাহিনী’ শব্দগুলো দেখে তার কিছুটা খটকা লেগেছে।
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক আসিফ বিন আলী এই প্রশ্নপত্র নিয়ে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নে মুক্তিযুদ্ধ না লিখে লিখছেন ‘প্রতিরোধ যুদ্ধ’, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর না লিখে লিখছেন ‘দখলদার বাহিনী’।
তিনি আরও বলেছেন, ‘আমরা যতবার চাই মুক্তিযুদ্ধ পক্ষের আর বিপক্ষের এই বয়ান থেকে রাজনীতিকে বের করে বর্তমানের অধিকারের দাবিতে আনতে, ততবার তারা ফেরত নিয়ে যায় ওই বয়ানেই।
বিসিএস-এর এই পরীক্ষা ২৭ নভেম্বর শুরু হয়েছে। ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে আবশ্যিক বিষয়ের পরীক্ষা। ১০ ডিসেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত পদ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা হবে।
এই ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন পরিসরে সমালোচনা চলছে। অনেকে এই প্রশ্নপত্রকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা বলে মনে করছেন।
এই বিষয়ে সরকারি কোনো মন্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
তবে এই ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন পরিসরে সমালোচনা চলছে। অনেকে এই প্রশ্নপত্রকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা বলে মনে করছেন।
এই ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন পরিসরে সমালোচনা চলছে। অনেকে এই প্রশ্নপত্রকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা বলে মনে করছেন।
এই ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন পরিসরে সমালোচনা চলছে। অনেকে এই প্রশ্নপত্রকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা বলে মনে করছেন।
এই ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন পরিসরে সমালোচনা চলছে। অনেকে এই প্রশ্নপত্রকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা বলে মনে করছেন।
এই ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন পরিসরে সমালোচনা চলছে। অনেকে এই প্রশ্নপত্রকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা বলে মনে করছেন।
এই ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন পরিসরে সমালোচনা চলছে। অনেকে এই প্রশ্নপত্রকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা বলে মনে করছেন।
এই ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন পরিসরে সমালোচনা চলছে। অনেকে এই প্রশ্নপত্রকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা বলে মনে করছেন।
এই ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন পরিসরে সমালোচনা চলছে। অনেকে এই প্রশ্নপত্রকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা বলে মনে করছেন।
এই ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন পরিসরে সমালোচনা চলছে। অনেকে এই প্রশ্নপত্রকে মুক্তিযু



