ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে দীর্ঘ সময় পরে প্রথম সরাসরি আলোচনার কয়েক ঘণ্টা পরেই ইসরায়েল লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে বিমান হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় কোনো হতাহতের খবর নেই।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীর অস্ত্রাগার ধ্বংস করেছে। এই হামলার পর লেবাননের নেতৃত্ব থেকে এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। তবে আগেও এধরনের হামলাকে লেবাননের রাজনৈতিক নেতারা যুদ্ধবিধি লঙ্ঘন হিসেবে নিন্দা করেছেন।
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চলমান উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। ইসরায়েল লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে নিয়মিত বিমান হামলা চালাচ্ছে। এই হামলাগুলো ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে।
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে আলোচনা শুরু হওয়ার পর এই হামলা চালানো হয়েছে। এই আলোচনায় ইসরায়েল ও লেবাননের নাগরিক প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছেন। এই আলোচনা লেবাননের নাকুরা শহরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের সদর দফতরে অনুষ্ঠিত হয়।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আলোচনাটি ‘ভালো পরিবেশ’ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চলমান উত্তেজনা মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই উত্তেজনা কমাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া।
ইসরায়েল-লেবানন সংঘর্ষ মোকাবেলায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মিশনের উচিত সক্রিয় ভূমিকা পালন করা এবং উত্তেজনা কমাতে সহায়তা করা।
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চলমান উত্তেজনা মোকাবেলায় আমেরিকা ও ফ্রান্সের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দুই দেশের উচিত দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া এবং উত্তেজনা কমাতে সহায়তা করা।
ইসরায়েল-লেবানন সংঘর্ষ মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সমর্থন ছাড়া উত্তেজনা কমানো সম্ভব নয়।
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চলমান উত্তেজনা মোকাবেলায় সকল পক্ষের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সহযোগিতা ছাড়া উত্তেজনা কমানো সম্ভব নয়।



