আমাজন ইউএস পোস্টাল সার্ভিসের সাথে তার সম্পর্ক ছেড়ে দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে। ই-কমার্স জায়ান্টটি প্রতি বছর ইউএস পোস্টাল সার্ভিসে ৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি খরচ করে, যা পোস্টাল সার্ভিসের মোট আয়ের ৮ শতাংশেরও কম।
গত দশকে, আমাজন তার শিপিং লজিস্টিক্সে ভারী বিনিয়োগ করেছে, নিজস্ব বোয়িং বিমান কেনা, ইলেকট্রিক ডেলিভারি ভ্যান চালু করা এবং ধীরে ধীরে একটি ড্রোন ডেলিভারি নেটওয়ার্ক তৈরি করা। গত বছর, আমাজন ৬.৩ বিলিয়নেরও বেশি প্যাকেজ পরিচালনা করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৭ শতাংশ বৃদ্ধি।
ইউএস পোস্টাল সার্ভিস দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটের মধ্যে রয়েছে, প্রতি বছর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার লোকসান করছে। আমাজন এবং পোস্টাল সার্ভিসের মধ্যে আলোচনা থেমে গেছে, যা সাথে সাথে পোস্টাল সার্ভিসের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হচ্ছে, যা আমাজনকে পোস্টাল সার্ভিসের উপর নির্ভরতা কমাতে উত্সাহিত করতে পারে।
পোস্টাল সার্ভিস আধুনিকায়ন এবং অভিযোজনের জন্য সংগ্রাম করছে, যেখানে আমাজন এবং ওয়ালমার্টের মতো কোম্পানিগুলি দেশের চারপাশে প্যাকেজ ডেলিভারির জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। যোগাযোগের ডিজিটালাইজেশন এবং ব্যক্তিগত মালিকানাধীন শিপিং অপারেশনে ভারী বিনিয়োগ দেশের একটি সর্বশ্রেষ্ঠ পাবলিক গুডসের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে।
আমাজন যদি ইউএস পোস্টাল সার্ভিসের সাথে তার সম্পর্ক ছেড়ে দেয়, তাহলে এটি পোস্টাল সার্ভিসের জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে। পোস্টাল সার্ভিস ইতিমধ্যেই আর্থিক সংকটের মধ্যে রয়েছে এবং আমাজনের সাথে তার সম্পর্ক ছেড়ে দেওয়া তার আর্থিক পরিস্থিতির আরও খারাপ করে দিতে পারে।
আমাজনের সিদ্ধান্ত পোস্টাল সার্ভিসের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে, কিন্তু এটি আমাজনের জন্যও একটি বড় সুযোগ হবে। আমাজন তার নিজস্ব শিপিং নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারে এবং পোস্টাল সার্ভিসের উপর নির্ভরতা কমাতে পারে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে পোস্টাল সার্ভিস এবং আমাজন উভয়েরই ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে উঠবে। পোস্টাল সার্ভিস তার আর্থিক পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য নতুন কৌশল খুঁজে বের করতে হবে, যখন আমাজন তার নিজস্ব শিপিং নেটওয়ার্ক তৈরি করতে হবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে পোস্টাল সার্ভিস এবং আমাজন উভয়েরই গ্রাহকরা প্রভাবিত হবে। পোস্টাল সার্ভিসের গ্রাহকরা সম্ভবত তাদের প্যাকেজ ডেলিভারির জন্য আরও বেশি অর্থ প্রদান করতে হবে, যখন আমাজনের গ্রাহকরা তাদের প্যাকেজ ডেলিভারির জন্য আরও দ্রুত এবং সুবিধাজনক পরিষেবা পাবেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে পোস্টাল সার্ভিস এবং আমাজন উভয়েরই কর্মচারীরা প্রভাবিত হবে। পোস্টাল সার্ভিসের কর্মচারীরা সম্ভবত তাদের চাকরি হারাতে পারে, যখন আমাজনের কর্মচারীরা নতুন কাজের সুযোগ পাবেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে পোস্টাল সার্ভিস এবং আমাজন উভয়েরই ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে উঠবে। পোস্টাল সার্ভিস তার আর্থিক পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য নতুন কৌশল খুঁজে বের করতে হবে, যখন আমাজন তার নিজস্ব শিপিং নেটওয়ার্ক



