লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তের ওপারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে এক বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। পরে সেখান থেকে তাঁর মরদেহ নিয়ে গেছে বিএসএফ। আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার শমসেরনগর সীমান্তের ৮৬৪ নম্বর মেইন সীমান্ত পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত চেয়ে পতাকা বৈঠকের জন্য ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মাথাভাঙ্গা থানার ১৫৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের চেনাকাটা বিএসএফ ক্যাম্প কমান্ডারকে চিঠি দিয়েছে বিজিবি। ৬১ বিজিবির তিস্তা ব্যাটালিয়নের শমসেরনগর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার কামাল উদ্দিন এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত গরু ব্যবসায়ীর নাম সবুজ মিয়া। তিনি উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নের পাঁচভাণ্ডার এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে। বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে গরু আনার জন্য ৮-১০ জন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ভারতের ভেতর যান। এ সময় বিএসএফের চেনাকাটা ক্যাম্পের টহলরত সদস্যরা তাঁদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে। এতে সবুজ মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। বাকিরা বাংলাদেশে ফেরত আসতে সক্ষম হন।
বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ীদের ওই দলে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, ‘আমরা দশজন একসাথে ভারতে ঢুকেছিলাম। একসাথে ২০টি গরু আনার কথা ছিল। তার আগেই বিএসএফ সদস্যদের হাতে পড়ে যাই। তাঁরা ৭-৮ রাউন্ড গুলি ছুড়ে। সবুজ গুলি লেগে মাটিতে পড়ে গেলে আমরা ফিরে আসি। পরে সবুজের লাশ নিয়ে গেছে বিএসএফ।’
বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার কামাল উদ্দিন বলেন, ‘লাশ ফেরত আনতে চেষ্টা চলছে। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ লাশ ফেরত দেবে। ঘটনার পর ওই সীমান্তে বিজিবির টহল বাড়ানো হয়েছে।’
এই ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বাড়তে শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এই ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে যাচ্ছে। তাঁরা সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছেন।
বিজিবি সূত্রের তথ্য মতে, গত বছর সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বাড়তে শুরু করেছে। এই অপরাধের মধ্যে রয়েছে ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক চোরাচালান। সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য বিজিবি ও পুলিশ যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এই ঘটনার পর সরকার সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। সরকার সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য বিজিবি ও পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে। সরকার সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প গ্রহণ করছে।
এই ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বাড়তে শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এই ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে যাচ্ছে। তাঁরা সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছেন। সরকার সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। সরকার সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য বিজিবি ও পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে।
এই ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব



