বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বাণিজ্য মেলা লেদারটেক বাংলাদেশ ২০২৫-এর ১১তম সংস্করণ আজ রাজধানী ঢাকায় শুরু হয়েছে। এই মেলায় চামড়া, জুতা যন্ত্রপাতি, জুতার উপকরণ, রাসায়নিক ও অ্যাক্সেসরিজ প্রদর্শন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এই মেলার উদ্বোধন করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের চামড়া শিল্প এখন তার সম্পূর্ণ সম্ভাবনা বাস্তবায়নের সীমানা অতিক্রম করতে পারে। এই ধরনের মেলা শুধু প্রদর্শনী নয়, বরং একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ যা এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।
লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এলএফএমইএবি) সভাপতি সৈয়দ নাসিম মানজুর বলেন, বাংলাদেশের চামড়া শিল্প এখন রফতানি-ভিত্তিক উত্পাদন বৃদ্ধির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে রয়েছে। তিনি বলেন, পরবর্তী ধাপে যেতে হলে নীতি উদারীকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি আমরা আমাদের দেশ ও প্রতিবেশী অর্থনীতির মধ্যে সঠিক সংযোগ তৈরি করতে পারি, তাহলে চামড়া খাতে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন আরও দ্রুত হবে।
এই মেলায় ভারতের কাউন্সিল ফর লেদার এক্সপোর্টস, পাকিস্তান ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন, ইন্ডিয়া ফুটওয়্যার কম্পোনেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিস, সেইসাথে চীনের গুয়াংডং শু-মেকিং মেশিনারি অ্যাসোসিয়েশনের স্টল রয়েছে। এই মেলায় প্রায় ২০০ জন প্রদর্শনকারী আটটি দেশ, বাংলাদেশসহ, অংশগ্রহণ করছে।
এই মেলা বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে। এই মেলার মাধ্যমে বাংলাদেশের চামড়া শিল্প বিশ্বব্যাপী নতুন বাজার খুঁজে পেতে পারে এবং তার রফতানি বৃদ্ধি করতে পারে।
বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা অনেক বেশি। এই শিল্পটি দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে। তবে, এর জন্য সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বয় প্রয়োজন।
এই মেলা শেষে, বাংলাদেশের চামড়া শিল্প নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই শিল্পের উন্নয়নের জন্য সরকার ও বেসরকারি খাতকে একসাথে কাজ করতে হবে।
বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের ভবিষ্যত উজ্জ্বল। এই শিল্পটি দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।



