বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, বিচার বিভাগ কাগজে স্বাধীন হয়েছে, এখন বাস্তবে স্বাধীনতা দেখতে চাই।
ব্যারিস্টার খোকন বলেছেন, বিচার বিভাগ স্বাধীন হওয়ার পর এখন বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে, আশা করি। তিনি বলেছেন, প্রধান বিচারপতির অধীনে বিচার বিভাগের থাকা, বিচার বিভাগের ইতিহাসে একটি মাইলফলক ও ঐতিহাসিক ঘটনা।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি বলেছেন, স্বাধীন হওয়ার পর এখন বিচার বিভাগ যদি প্রভাবিত হয়, স্বেচ্ছাচারী হয়; সেই ভয় পাচ্ছি। সরকারের তো কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এ ক্ষেত্রে সচিবালয়ের দ্বারা বিচার বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব হবে কিনা।
ব্যারিস্টার খোকন বলেছেন, সুপ্রিম কোর্ট তথা বিচার বিভাগ শক্তিশালী হলে আইন পেশার সম্মান বাড়বে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার দাবি পূরণ হয়েছে। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকনের এই মন্তব্যটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবির প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ। এই দাবি পূরণের জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য সকলকে একত্রিত হতে হবে।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এই ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা। এছাড়াও, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে বিচার বিভাগের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে হবে।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য সকলকে একত্রিত হতে হবে। এই একত্রিত প্রয়াসে সরকার, বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমিতি এবং সমাজের সকল শ্রেণির মানুষকে অংশগ্রহণ করতে হবে। এই একত্রিত প্রয়াসের মাধ্যমেই বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এই ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা। এছাড়াও, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে বিচার বিভাগের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে হবে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমেই বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।



