ভারতের ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে মাওবাদী বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে পুলিশের তিন কর্মকর্তাসহ মোট ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এই সংঘর্ষ বুধবার ছত্তিশগড়ের একটি বনাঞ্চলে ঘটে।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানের সময় এই সংঘর্ষ হয়। ছত্তিশগড় পুলিশের আইজি (বস্তার রেঞ্জ) জানিয়েছেন, দন্তেওয়াড়া এবং বিজাপুরের ডিআরজি, রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এবং কোবরা (কেন্দ্রীয় বাহিনী সিআরপিএফের কমান্ডো বাহিনী) সদস্যরা এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন।
নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই মাওবাদীর সশস্ত্র শাখা পিএলজিএ (পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মির) গতিবিধির খবর পেয়েই যৌথবাহিনী ওই এলাকায় তল্লাশি অভিযানে যায়। সংঘর্ষস্থল থেকে ১২ মাওবাদীর মরদেহের পাশাপাশি সেল্ফ লোডিং রাইফেল (এসএলআর), ইনসাস, রাইফেল এবং বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে।
এ নিয়ে চলতি বছর ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ২৭৫ জন নিহত হয়েছেন। মাওবাদী গেরিলাদের কয়েক দশক ধরে চলা সশস্ত্র বিদ্রোহ স্থগিতের ঘোষণা দেওয়ার পরও নিরাপত্তা বাহিনীর এই অভিযান চলছে। আগামী বছরের মার্চের মধ্যে মাওবাদী বিদ্রোহ পুরোপুরি নির্মূল করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিল্লি সর্বাত্মক অভিযান শুরু করেছে।
এই সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তাসহ মোট ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানানো হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে।
এই ঘটনার পর ছত্তিশগড়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনার পর মাওবাদী গেরিলাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
এই ঘটনার পর ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, মাওবাদী গেরিলাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, নিরাপত্তা বাহিনীকে সমর্থন করা হবে।
এই ঘটনার পর দেশব্যাপী প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, মাওবাদী গেরিলাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এই ঘটনার পর ছত্তিশগড়ের জনগণ আতঙ্কিত। তারা আরও নিরাপত্তা ব্যবস্থা চাইছে। তারা আরও জানিয়েছে, মাওবাদী গেরিলাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এই ঘটনার পর দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনার পর মাওবাদী গেরিলাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
এই ঘটনার পর ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, মাওবাদী গেরিলাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, নিরাপত্তা বাহিনীকে সমর্থন করা হবে।
এই ঘটনার পর দেশব্যাপী প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে। তারা আরও জানিয়েছে, মাওবাদী গেরিলাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।



