ঝিনাইদহের পবহাটি গ্রামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিশুটির নাম সাইমা আক্তার সাবা। তার বয়স সাড়ে তিন বছর। সাইমা পবহাটি গ্রামের ভ্যানচালক মো. সাইদুল ইসলাম ও ফাতেমা দম্পতির মেয়ে।
বুধবার সকাল ৮টার দিকে বাড়ির পাশ থেকে নিখোঁজ হয় শিশু সাইমা। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। রাত ৯টার দিকে প্রতিবেশী সান্ত্বনা খাতুনকে বোরকা পরে বাড়ির বাইরে ঘোরাঘুরি করতে দেখে সন্দেহ করে প্রতিবেশীরা। পরে তাঁর ঘরে ঢুকে খাটের নিচে সাইমার মরদেহ দেখে থানায় খবর দেন তাঁরা।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি প্রতিবেশী মাসুদের বাড়িতে মেয়েকে খুঁজতে গিয়েছিলাম। তখন তাঁর স্ত্রী আমাকে জানায়, সাবা তাদের বাড়িতে যায়নি। তখন পাড়ার সবাই আমার মেয়েকে খুঁজছে, কিন্তু মাসুদের স্ত্রী আসছে না, কোনো খোঁজও করছে না। আমার সন্দেহ হলো।’
ঝিনাইদহ সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনোজ কুমার ঘোষ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘সাইমা আক্তার সাবার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সকালে নিখোঁজের পর আমি থানায় জিডি করলেও পুলিশ কোনো গুরুত্ব দেয়নি।’
ঝিনাইদহ সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাহফুজ হোসেন বলেন, ‘ঘটনা কী ঘটেছে, এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না। খোঁজখবর নিচ্ছি, তদন্ত চলছে। অভিযুক্ত নারীকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।’
এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা এই ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে কাজ করছে।



