কারিবিয়ান সাগরে একটি নৌযানে মার্কিন নৌবাহিনীর হামলার ঘটনায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এই হামলায় দুইজন বেঁচে থাকা লোক নৌযানটি পুড়ে যাওয়ার আগে তার সাথে ঝুলে ছিল। এরপর দ্বিতীয় হামলায় তারা মারা যান। এই ঘটনায় মার্কিন বাহিনী সশস্ত্র সংঘাতের আইন লঙ্ঘন করেছে বলে অনেকে অভিযোগ করছেন।
এই হামলার পর থেকে কারিবিয়ান ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে একাধিক হামলা হয়েছে। এসব হামলায় ৮০ এর বেশি লোক মারা গেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, এই হামলা আইনসম্মত ছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই হামলার সম্পূর্ণ বিবরণ পাওয়া যায়নি।
মার্কিন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প ২ সেপ্টেম্বর ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের বলেন, মার্কিন বাহিনী একটি নৌযানকে ধ্বংস করেছে। এই নৌযানটি ভেনেজুয়েলা থেকে আসছিল। পরে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। এই ভিডিওতে দেখা যায়, নৌযানটি অজ্ঞাত অস্ত্র দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে এবং তারপর তা পুড়ে যায়।
পরে একজন মার্কিন কর্মকর্তা সিবিএসকে বলেন, এই হামলায় চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, নৌযানটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিও বলেন, নৌযানটি সম্ভবত ত্রিনিদাদ বা অন্য কোনো কারিবিয়ান দেশের দিকে যাচ্ছিল।
পরের দিন রুবিও তার বক্তব্য পরিবর্তন করেন। তিনি বলেন, নৌযানটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে যাচ্ছিল। প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ ফক্স নিউজকে বলেন, তিনি এই হামলা সরাসরি দেখেছেন। তিনি বলেন, আমরা জানতাম নৌযানটিতে কে ছিল এবং তারা কী করছিল।
পরবর্তী দিনগুলোতে মার্কিন কর্মকর্তারা বলেন, এই হামলা আইনসম্মত ছিল। এরপর থেকে কারিবিয়ান ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে একাধিক হামলা হয়েছে।
এই হামলার ঘটনায় মার্কিন বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। এই হামলার পর থেকে মার্কিন বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
এই ঘটনার পর থেকে মার্কিন সরকারকে জবাবদিহি করতে বলা হচ্ছে। মার্কিন সরকারকে এই হামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে বলা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর থেকে মার্কিন বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। এই হামলার পর থেকে মার্কিন বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
এই ঘটনার পর থেকে মার্কিন সরকারকে জবাবদিহি করতে বলা হচ্ছে। মার্কিন সরকারকে এই হামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে বলা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর থেকে মার্কিন বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। এই হামলার পর থেকে মার্কিন বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
এই ঘটনার পর থেকে মার্কিন সরকারকে জবাবদিহি করতে বলা হচ্ছে। মার্কিন সরকারকে এই হামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে বলা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর থেকে মার্কিন বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। এই হামলার পর থেকে মার্কিন বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
এই ঘটনার পর থেকে মার্কিন সরকারকে জবাবদিহি করতে বলা হচ্ছে। মার্কিন সরকারকে এই হামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে বলা হচ্ছে।
এই ঘটনার পর থেকে মার্কিন বাহিনীর



