সরকার গণভোটের প্রচারে নামছে। একটি রোডম্যাপ অনুযায়ী, চারটি মন্ত্রণালয় গণভোট প্রচারে কাজ করবে। এই মন্ত্রণালয়গুলো হলো তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, ধর্ম মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
গণভোটের চারটি প্রশ্ন নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কাজের জন্য কোনো নির্দিষ্ট বাজেট নির্ধারণ করা হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দুইজন বিশেষ সহকারী গণভোট নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করবেন।
জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরই গণভোটের সচেতনতা নিয়ে মাঠে নামবে সরকার। সরকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে প্রচারণায় ব্যবহার করার উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্রচারণার অংশ হিসেবে রিল বা পোস্ট বানিয়ে তা ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব ও টিকটকের মতো মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
সরকার সরাসরি জনসম্পৃক্ততা রয়েছে এমন মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রাথমিকভাবে গণভোট নিয়ে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করতে কাজে লাগাবে। ধর্ম মন্ত্রণালয়কে এক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
মন্ত্রণালয়গুলো কীভাবে কাজ করবে এমন প্রশ্নে সংশ্লিষ্টরা বলেন, মসজিদের ইমামদের এক্ষেত্রে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। জুমার নামাজের খুতবায় তারা যেন গণভোটের বিষয়ে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করে সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সারা দেশে থাকা উইং ব্যবহার করবে গণভোট প্রচারণা নিয়ে। একইভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে কাজে লাগাতে চায় সরকার।
এসব উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হবে। সরকার গণভোটের সচেতনতা বাড়াতে সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
গণভোট প্রচারণা নিয়ে সরকারের এই উদ্যোগ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই প্রচারণা গণভোটের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।



