এই বছর প্রায় ২ লাখ বেশি শিশু মারা যাবে তাদের পাঁচ বছর বয়সের আগে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় বেশি। এটি হবে এই শতাব্দীর প্রথম বার যে প্রতিরোধযোগ্য শিশু মৃত্যু বাড়বে। গেটস ফাউন্ডেশনের মতে, ২০২৪ সালে প্রায় ৪.৬ মিলিয়ন শিশু মারা গিয়েছিল, যা এই বছর ৪.৮ মিলিয়ন হবে। ২০০০ সাল থেকে শিশু মৃত্যু প্রায় অর্ধেক কমে গিয়েছিল।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শিশু মৃত্যুর হার কমাতে বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। কিন্তু এই বছর আন্তর্জাতিক সাহায্য কমে যাওয়ার কারণে এই প্রচেষ্টা ব্যাহত হচ্ছে। গেটস ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সাহায্য কমে যাওয়ার কারণে শিশু মৃত্যু বাড়বে।
গেটস ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি আন্তর্জাতিক সাহায্য কমে যাওয়ার এই ধারা চলতে থাকে, তাহলে ২০৪৫ সালের মধ্যে ১২ থেকে ১৬ মিলিয়ন বেশি শিশু মারা যাবে। এই বছর শিশু মৃত্যুর হার ২০২৩ সালের হারের সমান হবে।
গেটস ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকার ও ব্যক্তিদের উচিত এই বিষয়ে সচেতন হওয়া এবং শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করা। টিকা প্রদান ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত।
শিশু মৃত্যু কমানোর জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। সরকার, বেসরকারি সংস্থা ও ব্যক্তিদের উচিত এই বিষয়ে সচেতন হওয়া এবং কাজ করা। শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করে আমরা একটি ভবিষ্যত গড়তে পারি যেখানে শিশুরা সুস্থ ও সবল হবে।
আমরা কি শিশু মৃত্যু কমাতে কাজ করতে পারি? আমরা কি শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নে অবদান রাখতে পারি? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমাদের নিজেদের মধ্যে খুঁজে বের করতে হবে। আমাদের উচিত এই বিষয়ে সচেতন হওয়া এবং কাজ করা।



