কাশ্মীরের শ্রীনগর শহরে একটি সরু গলির নীরবতা ভেঙে যাচ্ছে রাস্তার বিক্রেতাদের অভ্যাসগত হাঁকডাক আর দুই ছোট শিশুর অস্থির কান্নায়। এই শিশুদের কান্নার কারণ খুঁজে বের করতে গিয়ে একটি ভয়ংকর বাস্তবতা প্রকাশ পায়।
তিন বছরের হুসেন তার মায়ের জন্য চিৎকার করছে, যাকে পুলিশ নিয়ে গেছে। তার ছোট বোন নূরীও তার সাথে কাঁদছে। তাদের বাবা মজিদ জানান, সাত মাসেরও বেশি আগে তাদের মা পাকিস্তানি নাগরিক সামিনাকে জোর করে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
কাশ্মীরের পেহেলগাম এলাকায় হামলার পর থেকে এই পরিবারের যন্ত্রণা শুরু হয়। এই হামলায় ২৬ জন নিহত হয়, যাদের মধ্যে কয়েকজন পাকিস্তানি নাগরিক বলে অভিযোগ করা হয়েছিল। ভারত এবং পাকিস্তান উভয় দেশই কাশ্মীরের পুরো অঞ্চলটির দাবি করে।
পেহেলগাম হামলার পর ভারত পাকিস্তানকে দায়ী করে এবং দ্রুত সব কূটনৈতিক সম্পর্কের হ্রাস টানে। প্রায় ৮০০ পাকিস্তানি, যাদের অনেকে কাশ্মীর এবং ভারতের অন্যান্য অংশে ভারতীয় নাগরিকদের বিয়ে করেছিলেন, তাদেরকে নির্বাসিত করা হয়।
মজিদ ২০১৮ সালে তার ৩৮ বছর বয়সী পাকিস্তানি আত্মীয় সামিনাকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু ২৮ এপ্রিল সামিনাকে শ্রীনগরের স্থানীয় থানায় তলব করা হয়। বাচ্চারা ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখতে পায় তাদের বাবা তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে এনেছেন, কিন্তু মা আর নেই।
মজিদ জানান, তিনি এখনও এই ঘটনাগুলো সামলে উঠতে পারছেন না। একসময় তিনি মাসে প্রায় ৭০ ডলার আয় করতেন, কিন্তু স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি ছোট বাচ্চাদের একা ফেলে যেতে পারেননি। এখন তিনি কর্মহীন। মজিদ বলেন, আমি গত ছয় মাস ধরে ভালোভাবে ঘুমাইনি।
কাশ্মীরের এই পরিস্থিতি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য দুই দেশকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।
কাশ্মীরের এই সংঘাত দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা। এই সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে দুই দেশকে একসাথে কাজ করতে হবে। এই সংঘাতের শিকার হয়েছে অনেক মানুষ, যাদের মধ্যে অনেকে তাদের পরিবারকে হারিয়েছে।
কাশ্মীরের এই পরিস্থিতি বিশ্বকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা এই সংঘাতের সমাধান খুঁজে বের করার জন্য দুই দেশকে আহ্বান জানিয়েছে। এই সংঘাতের সমাধান খুঁজে বের করতে দুই দেশকে একসাথে কাজ করতে হবে।
কাশ্মীরের এই সংঘাত দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা। এই সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে দুই দেশকে একসাথে কাজ করতে হবে। এই সংঘাতের শিকার হয়েছে অনেক মানুষ, যাদের মধ্যে অনেকে তাদের পরিবারকে হারিয়েছে। এই সংঘাতের সমাধান খুঁজে বের করতে দুই দেশকে একসাথে কাজ করতে হবে।



