সরকারি অনুমোদন ছাড়াই সয়াবিন তেলের দাম বাড়িয়েছে পরিশোধকরা। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বরিশালের খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম এখন ১৯৮ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগের তুলনায় ৫ শতাংশ বেশি। পাঁচ লিটার বোতলের দাম ৯৬৫ টাকা, যা পূর্ববর্তী সপ্তাহের তুলনায় ৪৫ টাকা বেশি।
বাংলাদেশ ট্রেডিং কর্পোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ লিটার বোতলের দাম ৯৬০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগের তুলনায় ৫০ টাকা বেশি। এছাড়াও, লুজ পাম তেলের দামও বেড়েছে।
বর্তমানে দেশে মুদ্রাস্ফীতির হার ৮.১৭ শতাংশ, যা ইতিমধ্যেই বাড়তে থাকা ব্যয় বাড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো জনগণের জন্য আরও সমস্যা সৃষ্টি করবে।
বাণিজ্য উপদেষ্টা স্ক বশির উদ্দিন জানিয়েছেন, পরিশোধকদের দাম বাড়ানোর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। তিনি বলেছেন, ব্যবসায়ীরা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই দাম বাড়িয়েছে।
খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, বড় বড় গ্রুপগুলো দাম বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। মিরপুরের পল্লবী এলাকার একজন ব্যবসায়ী বলেছেন, সব ব্র্যান্ডের দাম বেড়েছে।
কারওয়ান বাজারের একজন খুচরা বিক্রেতা বলেছেন, গ্রাহকরা হঠাৎ করে দাম বাড়ানো নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
চট্টগ্রামের কতগুলো বাজার পরিদর্শন করে দেখা গেছে, পাঁচ লিটার বোতলের দাম ৯৬৫ টাকা, যা আগের দামের চেয়ে ৪৫ টাকা বেশি। এক লিটার বোতলের দাম ১৯৮ টাকা।
চট্টগ্রামের খাতুগঞ্জের একজন ব্যবসায়ী বলেছেন, রমজানের আগে পরিশোধকরা সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে, যার ফলে পাইকারি বাজারেও দাম বেড়েছে।
তবে, টিকে গ্রুপের একজন পরিচালক বলেছেন, বিশ্ববাজারের দাম বাড়ার কারণে সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে সরকারকে দাম নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিতে হবে। জনগণের উপর দাম বৃদ্ধির প্রভাব কমানোর জন্য সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়া দাম বাড়ানো অব্যাহত থাকলে জনগণের জন্য আরও সমস্যা সৃষ্টি হবে। তাই, সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য।



