ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এবং আচরণ বিধিতে আরেক দফা সংশোধনী আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সংশোধনীগুলো আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বুধবার এই সংশোধনী সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, গণভোটের কারণে আরপিও-তে আবার সংশোধনী আনতে হচ্ছে। বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সংশোধনী উঠবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-এর অনুচ্ছেদ ২৭-এ প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো অনুযায়ী, পোস্টাল ব্যালটে প্রতীকের বিপরীতে ক্রস বা টিক চিহ্ন না দিলে তা গণনা করা হবে না। আদালতের রায়ে প্রার্থী তালিকায় পরিবর্তন এলে ওই আসনের জমা হওয়া পোস্টাল ব্যালটও গণনা করা হবে না। ঘোষণাপত্রে ভোটারের স্বাক্ষর না থাকলে পোস্টাল ব্যালট গণনায় নেবে না।
আচরণ বিধিমালার দফা ৪-এর উপ-বিধি (৩), বিধি ৬ এর উপ-বিধি (ক), (খ), (গ), (ঘ), বিধি ৯-এর উপ-বিধি (গ) এবং বিধি ২৬-এর উপ-বিধি (৩) এর মতো বিভিন্ন স্থানে ভাষাগত ও করণিক ভুল সংশোধন করা হচ্ছে। এ ছাড়া বিধিমালার ১৪(খ)-তে যে সংশোধনী প্রস্তাব রাখা হয়েছে-সংসদীয় আসনের প্রতি ইউনিয়ন বা পৌরসভা বা মেট্রোপলিটন এলাকায় ২০টি (যা বেশি হয়)-এর অধিক বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে না।
নতুন আরপিও অনুযায়ী, আদালত ঘোষিত ফেরারি আসামি ভোট করতে পারবে না-এমন বিধান যোগ হয়েছে এবার। দেড় দশক পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় যেমন সশস্ত্র বাহিনী ফিরেছে, তেমনই ‘না’ ভোট ব্যবস্থা এবার এসেছে একক প্রার্থীর আসনে। এর বাইরে সমভোট পেলে হবে পুনভোট, জোটে করলেও ভোট নিজ দলের মার্কায় করার বিধানসহ বেশকিছু যুক্ত হয়েছে।
এই সংশোধনীগুলো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন এই সংশোধনীগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। আগামী নির্বাচনের জন্য সকল প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
এই সংশোধনীগুলো রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তাদের অবশ্যই এই সংশোধনীগুলোর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা এখনও অস্পষ্ট। তবে এটা নিশ্চিত যে এই সংশোধনীগুলো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করবে। নির্বাচন কমিশন এই সংশোধনীগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এই সংশোধনীগুলো বাস্তবায়নের পর নির্বাচন প্রক্রিয়া কেমন হবে তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তবে এটা নিশ্চিত যে এই সংশোধনীগুলো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ করবে।



